| বঙ্গাব্দ

কেতজিওত কারাগারে হামাস বন্দিদের ঘিরে কুমিরের পরিখা খনন ইসরাইলের

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 23-07-2026 ইং
  • 13360 বার পঠিত
কেতজিওত কারাগারে হামাস বন্দিদের ঘিরে কুমিরের পরিখা খনন ইসরাইলের
ছবির ক্যাপশন: পরিখা খনন ইসরাইলের

নীল নদের হিংস্র কুমির দিয়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ঘিরে ফেলার ছক; বেন-গভিরের চরমপন্থী 'কুমির কারাগার' উদ্যোগে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনীতি ডেস্ক

সর্বশেষ আপডেট: ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফিলিস্তিনের হামাস সদস্যদের বন্দী রাখতে ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ও বৃহত্তম কেতজিওত (Ketziot) হাই-সিকিউরিটি কারাগারের একটি বিশেষ অংশ ঘিরে নীল নদের কুমির রাখার উদ্দেশ্যে পরিখা খনন শুরু করা হয়েছে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ (Yedioth Ahronoth)-এর প্রতিবেদন ও তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি-র তথ্য অনুযায়ী, রামাত নেগেভ রিজিওনাল কাউন্সিলে অবস্থিত ওই কারাগারটির বিশেষ উইং ঘিরে প্রায় ১৭০ মিটার দীর্ঘ সুগভীর পরিখা খোঁড়া হচ্ছে, যা বাইরে থেকে দেখা যাবে না।

৬.৩ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ও পরিবেশমন্ত্রীর বিতর্কিত অনুমোদন

ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, বিতর্কিত এই 'কুমির কারাগার প্রকল্পের' আনুষ্ঠানিক পরীক্ষামূলক ধাপ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রকল্পের মূল রূপরেখা ও প্রস্তুতি:
• আইনি পথ সুগম: পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী ইদিত সিলমান (Idit Silman) মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আপত্তি সত্ত্বেও নীল নদের হিংস্র কুমিরকে 'গৃহপালিত বন্য প্রাণী' হিসেবে পুনর্শ্রেণিভুক্ত করেন।
• বিশাল বাজেট ও প্রশিক্ষণ: প্রকল্পটির জন্য ২১ মিলিয়ন শেকেল (প্রায় ৬.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ করা হয়েছে।
• বিশেষ গার্ড প্রশিক্ষণ: ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ (IPS) কুমির পরিচর্যা, খাদ্য সরবরাহ ও নিরাপত্তার জন্য কারারক্ষীদের বিশেষ রূপরেখা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।

জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির (Itamar Ben-Gvir)-এর দপ্তর দাবি করেছে, সম্প্রতি ঘোষিত আইনের পরিবর্তনই এই হিংস্র প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত করেছে।

বন্দিদের ওপর চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন

এর আগে বেন-গভির কেতজিওতের ফিলিস্তিনি উইংয়ের ভিডিও প্রকাশ করে সেখানকার পশুতুল্য পরিবেশ তুলে ধরেছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, বন্দিদের লোহার পাতের ওপর ঘুমাতে দেওয়া, কম্বল ও পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উইংয়ের ভেতর শারীরিক নির্যাতন করার চিত্র।

ফিলিস্তিনি বন্দি-সংক্রান্ত অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে গ্রেফতার হওয়া ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯,৬০০ ছাড়িয়েছে (যা আগে ছিল ৫,২৫০ জন)। বিশেষ করে হামাসের বিশেষ 'নুখবা' (Nukhba) ইউনিটের শত শত যুদ্ধবন্দিকে এই কেতজিওত কারাগারে অমানবিক অবস্থায় আটকে রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency