আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনীতি ডেস্ক
সর্বশেষ আপডেট: ২৩ জুলাই, ২০২৬
কুয়েতে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই, ২০২৬) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-র এক প্রতিবেদনে এই সমরাভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইআরজিসির প্রকাশিত বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই সামরিক হামলা কোনোভাবেই কুয়েতের সার্বভৌমত্ব বা স্থানীয় জনগণের বিরুদ্ধে নয়; বরং মার্কিন বাহিনীর সাম্প্রতিক আগ্রাসনের জবাবে কেবল তাদের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) ও আইআরজিসির যৌথ বার্তা অনুযায়ী, কুয়েতের আলি আল-সালেম (Ali Al-Salem) বিমানঘাঁটি এবং আল-আদিরি (Al-Udairi) ব্যারাকে এই বিধ্বংসী আঘাত হানা হয়।
💥 আইআরজিসির দাবিকৃত ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান:
• আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি: একটি সুবিশাল সামরিক সরঞ্জাম গুদাম, একটি উচ্চপ্রযুক্তির ‘প্যাট্রিয়ট’ (Patriot) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন 'এমকিউ-৯ রীপার' (MQ-9) ড্রোনের একটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস করা হয়েছে।
• আল-আদিরি ব্যারাক: মার্কিন সেনাসদস্যদের আবাসন ভবন এবং ২টি আধুনিক হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গারে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার ফলে ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও সেনাসদস্য হতাহতের দাবি করা হয়।
• টেলিযোগাযোগ টাওয়ার: সম্প্রতি ইরানি ভূমিতে মার্কিন বাহিনীর টাওয়ার ধ্বংসের জবাবে কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ টেলিযোগাযোগ টাওয়ারও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসির এই চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াশিংটন বা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলগুলোও এসব হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সঠিক সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে টানা কয়েকদিনের এই সরাসরি সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |