আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনীতি ডেস্ক
সর্বশেষ আপডেট: ২০ জুলাই, ২০২৬
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালিকে ইরান বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের ওপর ব্ল্যাকমেইল বা চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে তীব্র দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর থেকে একক চাপ কমাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশকেও আরও অর্থ ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই, ২০২৬) তুরস্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জুলাই) ফিলিপাইনের উদ্দেশে ওএসপিএম (OSPM) ও দ্বিপাক্ষিক সফরে রওনা হওয়ার আগে এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের সাম্প্রতিক নৌ-হামলা প্রসঙ্গে বলেন:
“স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, ইরানের অন্তত কিছু কট্টরপন্থী মানুষ হরমুজ প্রণালির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চায়। তারা এটিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম এবং বিশ্বের ওপর একটি বড় ধরনের চাপ প্রয়োগের উপায় হিসেবে ব্যবহার করার অপকৌশল চালাচ্ছে।”
রুবিও জোর দিয়ে জানান, বৈশ্বিক নৌ বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যা যা প্রয়োজন তার সবকিছুই এককভাবে চালিয়ে যাবে। তবে বিশ্ব অর্থনীতি যেহেতু এই রুটের ওপর নির্ভরশীল, তাই এই সুরক্ষার দায়িত্ব ভাগ করে নিতে অন্যান্য পরাশক্তি ও অংশীদার দেশগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম বা অর্থ দিয়ে পেন্টাগনকে সহযোগিতা করতে হবে।
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেও কূটনৈতিক জানলা খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইরানের সঙ্গে একটি টেকসই কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনও আন্তরিকভাবে আগ্রহী। এমনকি তেহরানের পক্ষ থেকেও আমাদের সাথে নতুন করে আলোচনায় বসার কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে ইরানকে মনে রাখতে হবে—কূটনীতি যদি চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়, তবে এর পরবর্তী পরিস্থিতি ও যুদ্ধের ফলাফল তেহরানের জন্য মোটেও অনুকূল হবে না।”
🚀 সাম্প্রতিক সংঘাত ও মার্কিন সেনার মৃত্যু নিয়ে রুবিওর ব্যাখ্যা:• ইরাকে মার্কিন সেনার মৃত্যু: শনিবার ইরাকে ইরানের হামলায় এক মার্কিন সেনার মৃত্যুর ঘটনাটিকে একটি ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন রুবিও। তিনি জানান, মূলত একটি ভূপাতিত ইরানি ড্রোনের অবিস্ফোরিত অংশ মার্কিন ঘাঁটিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে ধ্বংস (Controlled Detonation) করার সময় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
• জর্ডানের ডিফেন্স লাইনে আঘাত: রুবিও দাবি করেন, শুক্রবার ইরানের ছোড়া ঝাঁক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্তত একটি জর্ডানের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense) ভেদ করতে সক্ষম হয়েছিল। তবে বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনই মাঝ-আকাশে প্রতিহত করা হয়।
• পাল্টা হামলার যৌক্তিকতা: বাণিজ্যিক ও বেসামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবেই
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |