আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনীতি ডেস্ক | আল আরাবিয়া
সর্বশেষ আপডেট: ১৪ জুলাই, ২০২৬
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী কর্তৃক সৌদি আরবের ভূখণ্ডে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই হামলার পরপরই পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা সৌদি আরবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রিয়াদের পাশে থাকার কৌশলগত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের (US State Department) একজন শীর্ষ মুখপাত্র মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল আরাবিয়া ইংলিশ’-কে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে বলেন, "ইরানের প্রত্যক্ষ আঞ্চলিক আগ্রাসন এবং ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর এই অবৈধ হামলার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের পাশে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে। আমরা সৌদি আরবের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।"
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ওয়াশিংটনের সামগ্রিক মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম প্রধান এবং শক্তিশালী ভিত্তি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে এই কৌশলগত অংশীদারত্ব ও সামরিক সহযোগিতা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
মুখপাত্র পরিষ্কারভাবে জানান, ইয়েমেনের হুথিদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি খর্ব করা এবং তাদের পেছনে অন্যায়ভাবে জ্বালানি ও অর্থ জোগান দেওয়ার অপরাধে তেহরানকে (ইরান সরকার) আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা এখনো বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
মার্কিন প্রশাসন হুথিদের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানায়, হোয়াইট হাউজের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ট্রাম্প প্রশাসন হুথি গোষ্ঠীকে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ (Foreign Terrorist Organization - FTO) হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
⚓ লোহিত সাগর ও ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার ২০২৬:
১. সৌদি আরবের আকাশসীমা ও সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
২. হুথিদের অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহের জন্য ইরানকে জবাবদিহি করানো।
৩. বাব আল-মান্দেব ও লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল বজায় রাখা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট লোহিত সাগরে (Red Sea) আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ। এই কৌশলগত কারণে লোহিত সাগরের স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী ইরান-সমর্থিত হুথি এবং ইয়েমেনে সক্রিয় অন্যান্য উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর যৌথ সামরিক প্রতিরোধ কার্যক্রম ও বিমান হামলা অব্যাহত রাখা জরুরি।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |