আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রকাশিত: ৯ জুলাই, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পরপরই ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন দফায় বড় ধরনের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী। এই হামলার পর ইরানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বুশেহর প্রদেশে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের (Aerospace Force) একটি প্রধান সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত (ওপেন-সোর্স) গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মনিটরিং সূত্রে এই বিধ্বংসী আগুনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই সকল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। অন্যদিকে, ইরানি কর্তৃপক্ষও হামলায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানায়নি।
তবে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমগুলো বুশেহর প্রদেশ এবং এর আশপাশের এলাকাগুলোতে দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে। কিন্তু ঠিক কোন কোন স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বা এতে কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তেহরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গভীর রাতে প্রদেশজুড়ে একের পর এক একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং দূর থেকে সামরিক ঘাঁটিতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়।
আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান স্থাপনায় আগুন লাগার ধরণ দেখে আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা— ইরানের মূল ভূখণ্ডের ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুদাগার, দূরপাল্লার ড্রোন উৎপাদন বা উৎক্ষেপণ অবকাঠামো কিংবা প্রধান কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার লক্ষ্য করে এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে দুই চিরবৈরী দেশের এই প্রত্যক্ষ যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তবে ওয়াশিংটন (পেন্টাগন) কিংবা তেহরান— কোনো পক্ষই এখনো পর্যন্ত এই হামলার সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির কোনো আনুষ্ঠানিক বা বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। তবে ট্রাম্পের ‘কঠোর আঘাতের’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই হামলা দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।
আমেরিকার নতুন হামলা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পরেই ইরানের মূল ভূখণ্ডের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
আইআরজিসি ঘাঁটিতে আগুন: বুশেহর প্রদেশে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্সের স্থাপনায় ভয়াবহ আগুন।
মিশন লক্ষ্যবস্তু: ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের ড্রোন অবকাঠামো ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদাগার লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
বিস্ফোরণে কাঁপল বুশেহর: স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বুশেহর প্রদেশ জুড়ে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রীয় মিডিয়া।
উভয় পক্ষের নীরবতা: হামলার কয়েক ঘণ্টা পার হলেও ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে মুখ খোলেনি ওয়াশিংটন বা তেহরান।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ২০২৬, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান হামলা, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ও বুশেহর বিস্ফোরণ সেল
বুশেহরের আইআরজিসি ঘাঁটিতে মার্কিন হামলায় কতজন ইরানি সেনা বা কমান্ডার হতাহত হয়েছেন, এই হামলার জবাবে কুয়েত বা বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান নতুন কোনো পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে কিনা এবং ইরান-মার্কিন যুদ্ধের প্রতি মুহূর্তের লাইভ ব্রেকিং নিউজের দ্রুত আপডেটের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |