| বঙ্গাব্দ

ব্যভিচার ও প্রতারণার মামলা থেকে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 10-06-2026 ইং
  • 8034 বার পঠিত
ব্যভিচার ও প্রতারণার মামলা থেকে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ছবির ক্যাপশন: ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ক্রিকেটার নাসির দম্পতিকে খালাসের নির্দেশ আদালতের

আদালত প্রতিবেদক | বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রকাশিত: ১০ জুন, ২০২৬

ব্যভিচার, অবৈধ বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মীকে চূড়ান্তভাবে খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডবিধির পৃথক ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে না পারায় আদালত তাদের এই খালাস প্রদান করেন।

আজ বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মী উভয়ই আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।

১০ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায়

আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১০ জন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তবে তাদের সাক্ষ্য ও পেশকৃত তথ্য-প্রমাণে নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আনা প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে চলা আইনি জটিলতা ও বিতর্কের অবসান ঘটল এই তারকা দম্পতির।

মামলার প্রেক্ষাপট ও পিবিআই তদন্ত

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার জমকালো বিয়ের পর আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন তামিমার সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসান। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল—পূর্বের স্বামীকে (রাকিব) শরীয়া আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে তালাক না দিয়েই এবং তথ্য গোপন করে ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তামিমা, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

হুলস্থুল পড়ে যাওয়া এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআই-এর পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মো. মিজানুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা এবং তামিমার মা সুমি আক্তারকে অভিযুক্ত করে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পিবিআই তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, তামিমা রাকিবকে তালাক দেওয়ার যে নথিপত্র দেখিয়েছেন তা ভুয়া ছিল।

অভিযোগ গঠন ও চূড়ান্ত খালাস

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সংশ্লিষ্ট আদালত ক্রিকেটার নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪ক/৪৯৪/৪৯৭/৪৯৮/৫০০ ধারায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে তামিমার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার কোনো প্রাথমিক ভিত্তি না পাওয়ায় আদালত শুরুতেই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন।

দীর্ঘ শুনানি, যুক্তি-তর্ক এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আজ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আনীত ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়নি। ফলে আইনিভাবে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আদালত থেকে মুক্ত মনে ঘরে ফিরলেন এই দম্পতি।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency