| বঙ্গাব্দ

মিরপুরে রামিসা নিহতের ঘটনা: ডিএনএ রিপোর্ট পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট, জানালেন আইনমন্ত্রী

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 23-05-2026 ইং
  • 10862 বার পঠিত
মিরপুরে রামিসা নিহতের ঘটনা: ডিএনএ রিপোর্ট পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট, জানালেন আইনমন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: মিরপুরে রামিসা নিহতের ঘটনা: আইনমন্ত্রী

মিরপুরে রামিসা নিহতের ঘটনা: ডিএনএ রিপোর্ট পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট, জানালেন আইনমন্ত্রী

আইন ও আদালত ডেস্ক | ২৩ মে, ২০২৬ প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা নিহতের ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে আগামী ঈদুল আজহার ছুটির আগেই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৩ মে, ২০২৬) রাজধানীতে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম (লিগ্যাল এইড) সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এই তথ্য জানান।

১. নিখুঁত বিচার নিশ্চিতে ডিএনএ রিপোর্টের গুরুত্ব

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ছাড়া চার্জশিট দাখিল করলে পরবর্তী সময়ে আইনি বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তাই ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। ল্যাবরেটরি থেকে দ্রুততম সময়ে রিপোর্ট পাওয়ার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সব ঠিক থাকলে ঈদের ছুটির আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।

মামলাটির বিচার কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস ঘটনার আনুষ্ঠানিক আইনি বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

২. উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্সের দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস

উচ্চ আদালতে এই ধরনের স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানান, বিচারিক (নিম্ন) আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার সম্পূর্ণ বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই পেপার বুক তৈরির প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

৩. মামলার পটভূমি ও আসামির স্বীকারোক্তি

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নির্মম ঘটনার পর পল্লবী থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আসামি সোহেল রানা শিশু রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স (Sources):

  1. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ২৩ মে, ২০২৬ তারিখে ঢাকায় আয়োজিত লিগ্যাল এইডের অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের অফিশিয়াল বক্তব্য।

  2. ডিএমপি (পল্লবী থানা উইং): ১৯ মে থেকে ২৩ মে ২০২৬ পর্যন্ত মামলার তদন্ত ও আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি সংক্রান্ত পুলিশি রেকর্ড।

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

    আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency