মধ্যপ্রাচ্যে ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের: সৌদি ও কুয়েতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ!
বিশেষ বিশ্লেষণে: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (সিনিয়র ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট ও জিও-পলিটিক্যাল এনালিস্ট)
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন দাউ দাউ করে জ্বলছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত অন্তত ১৩টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এবং ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের হামলায় কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিকঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করে আসছে ইরান।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই ঘাঁটিতে বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটেছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বারবারই ইরানের এসব দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিয়ে বিশ্বজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়:
কাতার: আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) আঞ্চলিক সদর দপ্তর।
বাহরাইন: মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফ্থ ফ্লিটের (5th Fleet) সদর দপ্তরেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন: ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই স্বস্তি!
ইরান একের পর এক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করলেও মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বড় প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের মতো প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই এসব রাডার ও বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়ে থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ধরণের হুমকির মুখে পড়বে।
বিশেষ বিশ্লেষণ:
১০ জনের ফ্রান্সের কাছে হারল ব্রাজিল: জিরুর রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় এমবাপ্পে!
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য এক ভয়াবহ সংকেত। বিশেষ করে তেলের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। এই উত্তেজনা প্রশমিত না হলে পুরো এশিয়া ও ইউরোপ সংকটের মুখে পড়তে পারে।
The Guardian: Report on US military base explosions in Saudi Arabia.
The New York Times: Analysis of Iranian strikes on 13 US bases.
Tasnim News Agency: IRGC statements on missile and drone attacks.
গুগল নিউজ এনালাইসিস: মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও ভূ-রাজনীতি ২০২৬।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |