| বঙ্গাব্দ

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি তেলের ৯ নির্দেশনা, ডিসিদের নির্দেশ, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ২০২৬,

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 15-03-2026 ইং
  • 703153 বার পঠিত
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি তেলের ৯ নির্দেশনা, ডিসিদের নির্দেশ, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ২০২৬,
ছবির ক্যাপশন: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর সরকার: ডিসিদের ৯ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অবৈধ মজুতদারি রোধ, অতিরিক্ত দাম নিয়ন্ত্রণ এবং পাচার বন্ধে মোট ৯টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক অনলাইন মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ দেশের সকল জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকদের প্রতি ৯টি নির্দেশনা:

জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিমন্ত্রী নিচের ৯টি পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন: ১. মজুত যাচাই: প্রতিদিন তেলের ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান। ২. বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ: ডিপো থেকে পেট্রল পাম্পে বরাদ্দ করা তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা। ৩. তদারকি: পেট্রল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ও ডিরেক্ট কাস্টমারদের সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ। ৪. পাম্প বন্ধের কারণ: কোনো পাম্প বন্ধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান এবং ডিপোর হিসাবের সাথে তা যাচাই (Double Check) করা। ৫. অবৈধ মজুত রোধ: কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে কেউ তেল মজুত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ৬. নিরাপত্তা: জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৭. পাচার রোধ: সীমান্ত বা অন্য কোনো পথে জ্বালানি তেল পাচার কঠোরভাবে বন্ধ করা। ৮. দাম নিয়ন্ত্রণ: নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান। ৯. নজরদারি: জেলা পর্যায়ে তদারকি টিম গঠন করে নিয়মিত মনিটরিং করা।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ নির্দেশনা:

জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আরও কিছু নিয়ম চালুর আহ্বান জানান:

  • শপিং মল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করা।

  • এসি (AC)-এর তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখা।

  • দোকান বন্ধের পর সাইনবোর্ডের আলো নিভিয়ে রাখা।

সরকারের অঙ্গীকার

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের কষ্ট লাঘবে বদ্ধপরিকর। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে সাশ্রয়ী ও সচেতন হতে হবে।” এর আগে পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাথে বৈঠকে মন্ত্রী তাদের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন এবং নেতারাও দ্রুত শৃঙ্খলা ফেরানোর আশ্বাস দেন।


গুগল অ্যানালাইসিস ও তথ্যের উৎস (Sources):

১. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: ১৫ মার্চ ২০২৬-এর অফিশিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ২. বাসস (BSS): "জ্বালানি তেল সরবরাহে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা।" ৩. যুগান্তর অনলাইন: "তেলের অবৈধ মজুত করলে জেল-জরিমানা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।" ৪. বিডিএস বুলবুল আহমেদ এনার্জি ডেস্ক: ২০২৬ সালের জ্বালানি নীতি ও বাজার বিশ্লেষণ ডাটাবেস।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency