শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
১৩ নভেম্বর, ২০২৫, শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে মামলা এবং রায় ঘোষণার প্রক্রিয়ায় কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।
এদিকে, আওয়ামী লীগের 'ঢাকা লকডাউন' কর্মসূচির ঘোষণা এবং বিরোধী দলগুলোর উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। গত কয়েকদিনে ঢাকায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে এবং সরকার বিরোধী দলকে হুমকি দেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, তাদের উদ্দেশ্য হলো বিচার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা।
তদন্তকারী প্রসিকিউশন জানায়, শেখ হাসিনা এবং তার দলের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় সেনাবাহিনীকে উসকে দিয়ে গৃহযুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও ১০৩ দিনের শুনানির পর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে ১৪০০ জনকে হত্যার উসকানি, প্ররোচনা এবং অন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট সেনা সদরে চিঠি পাঠিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে পুলিশের, সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। তাদের লক্ষ্য হলো, রায় ঘোষণার পর কোনভাবেই বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা সৃষ্টি হতে না পারে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা শিগগিরই হতে চলেছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে এবং রায় ঘোষণার পর দেশব্যাপী শান্তি বজায় রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।
সূত্র:
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |