| বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৪৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-11-2025 ইং
  • 3660026 বার পঠিত
বাগেরহাটের প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৪৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলা
ছবির ক্যাপশন: বাগেরহাটের প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নান

বাগেরহাটের প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৪৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ


বাংলাদেশের সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ২৪৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

১. মামলার অভিযুক্তরা

এই মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন— মো. আনিসুর রহমান (৬২), সালেহা বেগম এবং আব্দুল মান্নান তালুকদারের স্ত্রী জেসমিন নাহার। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মামলার বিষয়টি প্রকাশ করেন।

২. মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের পটভূমি

সিআইডি জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা প্রতারণার মাধ্যমে সংগ্রহ করে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

এনসিপির প্রাক্তন উমেদার আব্দুল মান্নান তালুকদার ১৯৮৪ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এমএলএসএস পদে চাকরি করেন এবং ডিসি অফিসে কাজ করার সুবাদে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি "নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট" নামে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালু করেন।

৩. প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও প্রতারণা

নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ হাজার ৯৬৭ জন সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অর্থ বিনিয়োগের নিশ্চয়তা দিয়ে তাদেরকে আকৃষ্ট করেছিল।

এছাড়া, আব্দুল মান্নান তালুকদার সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৬৬ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ করেন, যার মধ্যে ছিল— সাবিল গ্রুপের ৬টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, যেমন— এ্যাজাক্স জুট মিলস, সাবিল ড্রেজিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, সাবিল জেনারেল হাসপাতাল, এবং সাবিল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প। বাকি অর্থ বিভিন্ন নামে-বেনামে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়।

৪. সিআইডির তদন্ত

প্রতারণার মাধ্যমে ২৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তরের ঘটনাটি প্রাথমিক অনুসন্ধানে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় সিআইডি মামলাটি রুজু করেছে। সিআইডি বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে।


সূত্র:
১. "বাগেরহাটের প্রাক্তন উমেদারের বিরুদ্ধে ২৪৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের মামলা", Bangladesh News 24
২. "সিআইডির তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে", Dhaka Tribune
৩. "বাগেরহাটে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় ৪ জন অভিযুক্ত", The Daily Star


প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency