| বঙ্গাব্দ

আসলাম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন, জনগণের ইচ্ছায় মনোনয়ন পেতে আশাবাদী

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-11-2025 ইং
  • 7901653 বার পঠিত
আসলাম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন, জনগণের ইচ্ছায় মনোনয়ন পেতে আশাবাদী
ছবির ক্যাপশন: আসলাম চৌধুরী

বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত আসলাম চৌধুরী: জনগণের ইচ্ছায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা

প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তবে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা মনোনয়ন পাননি। এদের মধ্যে অন্যতম বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী, যিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ শাসনামলে কারাবরণ করেছেন।

এনসিপির সাবেক এমপি আসলাম চৌধুরীর নাম মনোনয়ন তালিকায় না থাকায় তার সমর্থকরা বিস্মিত হয়েছেন এবং সীতাকুণ্ড এলাকায় তারা অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছেন। আসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি জনগণের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।

১. মনোনয়ন নিয়ে আসলাম চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া

এনসিপি নেতা আসলাম চৌধুরী সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, "এখনো বিএনপির মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি, তবে আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছায় অংশ নেব।" তিনি আরও জানান, "মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি আলোচনা না হওয়ার মতো বিষয়, কারণ এটা তখনই আলোচিত হবে যখন নির্বাচন তফশিল ঘোষণা হবে।"

২. জনগণের প্রতি আস্থা

আসলাম চৌধুরী বলেছেন, "আমি বিশ্বাস করি সীতাকুণ্ডের জনগণ আমার সাথে রয়েছে। এজন্য আমি নিশ্চিত যে জনগণের সম্মান থাকবে। মনোনয়ন কোনো বিষয় নয়, যথা সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

তিনি আরও বলেন, "ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে আমি নির্বাচন করব, এটা বিশ্বাস রাখতে পারেন। জনগণের পালস বুঝে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং আমি সেই পথে হাঁটব।"

৩. বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতি

বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া এখনো চলমান। দলটি তার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন সমর্থক গোষ্ঠীকে সংগঠিত করছে।

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যান্য মনোনয়ন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে, যেহেতু আরও ৬৩টি আসনের মনোনয়ন এখনও ঘোষণা করা হয়নি।


সূত্র:
১. "বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত আসলাম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন", Bangladesh News 24
২. "আসলাম চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ইচ্ছায় নির্বাচন করবেন", Dhaka Tribune
৩. "সীতাকুণ্ডে অগ্নিসংযোগ, আসলাম চৌধুরী মনোনয়ন না পাওয়ায় বিস্মিত সমর্থকরা", The Daily Star


প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency