গাজার যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরাইলের অব্যাহত হামলা: ত্রাণ সংকটে ২৪ লাখ মানুষ”
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের পোকরোভস্ক শহরে রুশ বাহিনীর একের পর এক আক্রমণে পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ইউক্রেনের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল ওলেক্সান্দর সিরস্কি জানিয়েছেন, হাজার হাজার রুশ সেনা শহরটি দখল করতে চেষ্টা করছে, এবং ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের ওপর প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়েছে।
পোকরোভস্ক শহরটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ ও সরবরাহ কেন্দ্র, যার দখল রাশিয়াকে পুরো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে উল্লেখযোগ্য সুবিধা এনে দিতে পারে। শহরের অধিকাংশ অংশ এখন ‘গ্রে জোন’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে কোনো পক্ষই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেই।
এদিকে, রুশ সেনারা ইসরাইলের সেনাবাহিনীর মতো আক্রমণ চালিয়ে চলেছে, এতে শহরের ভিতরে ভয়াবহ ধ্বংস ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি আরো খারাপ করতে, রুশ বাহিনী ত্রাণ প্রবাহেও বাধা সৃষ্টি করছে, যার ফলে গাজার জনগণ আরও চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। বিশেষ করে, গাজার ২৪ লাখ মানুষ বর্তমানে ত্রাণের জন্য দুর্দশাগ্রস্ত।
শনিবার, জেনারেল সিরস্কি টেলিগ্রামে জানান, তিনি আবারও ফ্রন্টলাইনে ফিরে গেছেন এবং সামরিক গোয়েন্দাদের কাছ থেকে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানছেন। সিরস্কি ও কিরিলো বুদানভসহ অন্যান্য কূটনৈতিক কর্মীরা যুদ্ধক্ষেত্রে সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়ে কাজ করছেন।
এটি স্পষ্ট যে, পোকরোভস্ক শহরের উপর রুশ বাহিনীর আগ্রাসন ইউক্রেনের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রুশ বাহিনীর দ্বারা এই শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা ইউক্রেনের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে আরও সংকটময় করে তুলতে পারে। ইউক্রেনের অবস্থান বজায় রাখতে বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের পদক্ষেপ এবং পূর্বের প্রতিবাদগুলো যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করছে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগের কারণ হিসেবে ত্রাণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং মানবিক সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা একটি বৃহৎ আঞ্চলিক সংকটকে ধারণ করছে।
ইউক্রেনীয় সেনাদের পোকরোভস্ক শহরে পরিস্থিতি – ২ নভেম্বর ২০২৫
রুশ সেনাদের হামলা ও গুলিবর্ষণ – ২ নভেম্বর ২০২৫
বিশেষ বাহিনীর সমর্থনে যুদ্ধ পরিস্থিতি – ২ নভেম্বর ২০২৫
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |