| বঙ্গাব্দ

ভোলায় আন্দালিব রহমান পার্থর জনসমুদ্র: ‘সন্ত্রাসমুক্ত ভোলা ও মেডিকেল কলেজ গড়ার অঙ্গীকার’

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 24-01-2026 ইং
  • 1471620 বার পঠিত
ভোলায় আন্দালিব রহমান পার্থর জনসমুদ্র: ‘সন্ত্রাসমুক্ত ভোলা ও মেডিকেল কলেজ গড়ার অঙ্গীকার’
ছবির ক্যাপশন: আন্দালিব রহমান পার্থ

ভোলায় পার্থর বিশাল শো-ডাউন: ‘ভোট দিলে সন্ত্রাস ও দখলদারমুক্ত আধুনিক জেলা গড়ব’

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ভোলা: “আমি নির্বাচিত হলে ভোলায় কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসীদের থাকতে দেওয়া হবে না। আমার বাবা মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জু কোনোদিন আপনাদের সঙ্গে অন্যায় করেননি, আমিও করব না—কথা দিলাম।” শনিবার (২৪ জানুয়ারি, ২০২৬) দুপুরে ভোলার নতুন বাজার এলাকায় বিজেপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো দ্বীপ জেলা ভোলা আজ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

শান্তি ও সম্প্রীতির রাজনীতি

ব্যারিস্টার পার্থ তার বক্তব্যে উন্নয়ন ও শান্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমি হয়তো ভোলাকে সিঙ্গাপুর বানাতে পারব না, তবে ভোলার মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেই ব্যবস্থা করব। কোনো হিংসা-বিদ্বেষ নয়, আমরা বিএনপি-বিজেপি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব”। অন্যান্য প্রার্থীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি আরও বলেন, “হাতপাখা ও দাঁড়িপাল্লাসহ যারা ভোলা সদর আসনে লড়ছেন, আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিভেদ নেই। আসুন সবাই মিলে একটি বাসযোগ্য ভোলা গড়ি”।

ত্যাগের মূল্যায়ন ও আগামীর অঙ্গীকার

বিগত স্বৈরশাসনের আমলের কথা স্মরণ করে পার্থ বলেন, “২০০৮ সালে বাবার মৃত্যুর পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে মমতায় আগলে নিয়েছিলেন। তখন শেখ হাসিনা সরকার ভোলায় নৈরাজ্য ও দখলের রাজত্ব কায়েম করেছিল”। তিনি ঘোষণা করেন যে, এমপি হতে পারলে জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীরকে মুরুব্বি হিসেবে সম্মান দেবেন এবং ত্যাগের রাজনীতি করা কর্মীদের বুকে টেনে নেবেন। ভোলাবাসীর জন্য বড় প্রতিশ্রুতি হিসেবে তিনি একটি মেডিকেল কলেজভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন।

১৯০০ থেকে ২০২৬: ভোলার রাজনৈতিক বিবর্তন

ঐতিহাসিকভাবে ভোলার রাজনীতি সব সময়ই গুরুত্ব বহন করে আসছে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ থেকে শুরু করে ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ভোলার মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯০০ সালের সেই উত্তাল সময় থেকে আজ ২০২৬ সালের এই ডিজিটাল বাংলাদেশের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ব্যারিস্টার পার্থ তাঁর বাবার (নাজিউর রহমান মঞ্জু) রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছেন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী এই 'নতুন বাংলাদেশে' ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলায় এখন উৎসবের আমেজ।

জনসমুদ্রে রূপ নিল ভোলা শহর

উল্লেখ্য, আজ সকাল থেকেই ব্যারিস্টার পার্থর আগমনকে কেন্দ্র করে ভোলার খেয়াঘাট থেকে শুরু করে অলিগলি ও রাস্তাঘাটে মানুষের ঢল নামে। খেয়াঘাট থেকে তাঁর উকিলপাড়াস্থ বাসভবন ‘শান্তনীড়’ পর্যন্ত পুরো এলাকা লোকে-লোকারণ্য হয়ে পড়ে। নেতাকর্মীরা ‘গরুর গাড়ি’ মার্কায় ভোট চেয়ে এবং বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন।


সূত্র: মানবকণ্ঠ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এবং বিজেপি (BJP) প্রচার সেল।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency