প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সাম্প্রতিক এক টেলিভিশন টক শোতে তিনি বলেন, জামায়াত যা বলে ও যা করে—তার মধ্যে সামঞ্জস্য নেই; বক্তব্য, কৌশল ও আচরণে দৃশ্যমান–অদৃশ্য একাধিক স্তর কাজ করে। একই আলোচনায় তিনি ইঙ্গিত করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বড় দলগুলোর (বিএনপি, আওয়ামী লীগ ইত্যাদি) কথা–কাজের মধ্যে অন্তত একটি “ব্যালান্স” দেখা যায়, কিন্তু জামায়াতের ক্ষেত্রে সেই মিলের ঘাটতি চোখে পড়ে। এই মন্তব্যের অংশ বিশেষ গত সেপ্টেম্বরের আলোচনাতেও উঠে আসে।
এ আলোচনায় তিনি নির্বাচনী প্রতীকের ‘ব্র্যান্ড–ইক্যুইটি’ নিয়েও কথা বলেন—দীর্ঘ সময়ের ধারাবাহিক কাজ, ভোটার–স্মৃতি ও আস্থার সঞ্চয় ছাড়া কোনো প্রতীক জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয় না। পুরোনো প্রতীক যেমন ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’ বহু নির্বাচনী চক্রে জনগণের মনে জায়গা করে নিয়েছে—এ দাবি তুলে তিনি নতুন দলগুলোর প্রতীক–কৌশলকে বাস্তবতা–সম্মত রাখার পরামর্শ দেন। (টক শোর সারসংক্ষেপভিত্তিক প্রতিবেদন)।
ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি) দীর্ঘদিন ধরে ‘শাপলা’ প্রতীক চেয়ে আসছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দলটিকে চিঠি দিয়ে ৫০টি সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে একটি বেছে নিতে বলেছে—যেখানে ‘শাপলা’ নেই বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
পরে ইসির এক কমিশনার গণমাধ্যমে স্পষ্ট করেন—‘শাপলা’ ইসির আনুষ্ঠানিক তালিকায় না থাকায় এটি কোনো দলকে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। একই সময়ে এনসিপিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তালিকা থেকে প্রতীক বেছে নিতে দ্বিতীয়বারও মনে করিয়ে দেওয়া হয়।
এনসিপি অভিযোগ তুলেছে—শাপলা না দেওয়াকে “স্বেচ্ছাচারিতা” বলে মনে হচ্ছে; এই নীতিগত সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি লিখিতভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। উত্তর–দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠকরা সভা–সমাবেশে একই কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দলটি সংরক্ষিত তালিকা থেকে বিকল্প প্রতীক নেওয়ার প্রস্তাবও আপাতত নাকচ করেছে।
বাংলাদেশে প্রতীক কেবল ব্যালটের চিহ্ন নয়; এটি মাঠ–সংগঠন, প্রচারণা–ভাষা ও ভোটার–স্মৃতির সংক্ষিপ্ত রূপ। দীর্ঘমেয়াদে ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে প্রতীকের সঙ্গে দলের ‘বিশ্বাস’ যুক্ত হয়—রুমিন ফারহানার আলোচনার মূল কথাও এটি। ফলে নতুন দলগুলোর সামনে বাস্তব চ্যালেঞ্জ হলো—কেবল প্রতীক নয়, সংগঠিত কাজের ধারাবাহিকতায় প্রতীকের অর্থবহ ব্র্যান্ড–ইক্যুইটি গড়ে তোলা।
ইসির নীতি–স্বচ্ছতা: ‘শাপলা’ তালিকায় নেই—এই অবস্থান স্পষ্ট। তবু প্রতীক অন্তর্ভুক্ত/বর্জনের নীতিমালা লিখিতভাবে প্রকাশ করলে বিরোধ কমবে।
এনসিপির কৌশল: দলটি বিকল্প প্রতীক নেবে কি না—এ সিদ্ধান্ত ভোটপূর্ব কৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
জনআস্থা–ভিত্তিক প্রতিযোগিতা: প্রতীকের চেয়ে বড় প্রশ্ন—দীর্ঘমেয়াদি কাজ, সংগঠন ও নীতিগত ধারাবাহিকতা; এখানেই নতুন দলগুলোর ‘ব্র্যান্ড’ হওয়ার সম্ভাবনা বা সীমাবদ্ধতা নির্ধারিত হবে।
The Daily Star — “EC asks NCP to pick symbol from 50 options; Shapla not included,” ৩ অক্টোবর ২০২৫।
Dhaka Tribune — “NCP accuses EC of arbitrary decision over denial of ‘Shapla’ symbol,” প্রকাশিত: গতকাল।
The Daily Star — “Shapla not on EC’s official list, can’t be given to NCP,” প্রকাশিত: গতকাল।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |