প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ধারাবাহিক বিদেশ সফরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগকে “অপ্রাসঙ্গিক ও ফ্যাসিস্ট শক্তি” হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে। রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় নিয়ে সমালোচনার কথা স্বীকার করলেও, এই উদ্দেশ্য সিদ্ধ হওয়ায় তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি লিখেছেন—গত ১৪ মাসে ১৪ বার বিদেশ সফর হয়েছে; জাতিসংঘে বৃহৎ প্রতিনিধি দল নিয়ে যাওয়াও ব্যয়বহুল ছিল, তবু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে এই সফরগুলো “রাষ্ট্রের উপকারে” এসেছে বলে তার মত। (ফেসবুক পোস্টের স্বাধীন যাচাই চলমান—পোস্টটি লেখার সময় গণমাধ্যমে পূর্ণ উদ্ধৃতি প্রকাশ পায়নি।)
সপ্তাহের শুরুতে রোমে ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের বৈঠক শেষ করে বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালেই ঢাকায় ফেরেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। রোমে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা ও যুদ্ধ–ক্ষুধা রোধে বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় কমানোর আহ্বান জানান—এ সফরকে কেন্দ্র করে সরকারের তরফে কূটনৈতিক বার্তাও দেওয়া হয়।
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন (নিউইয়র্ক), COP29 (বাকু), D-8 (কায়রো), দাভোস, ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট (দুবাই), বোয়াও ফোরাম/বেইজিং, বিমস্টেক (ব্যাংকক), দোহা, ভ্যাটিকান সিটি, টোকিও, লন্ডন, কুয়ালালামপুর, নিউইয়র্ক (২০২৫) ও রোম—এভাবে ধারাবাহিক বিদেশ সফরের রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছে। উন্মুক্ত নথিতে তালিকাভুক্ত ভ্রমণগুলোর যৌক্তিকতা—জাতিসংঘ, জলবায়ু, বাণিজ্য–বিনিয়োগ, খাদ্যনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতি—এই পাঁচটি অক্ষে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। (উইকির তালিকাটি একাধিক মূলধারার সূত্রে রেফারেন্স-সংবলিত—চূড়ান্ত সংখ্যা সময়ের সঙ্গে হালনাগাদ হতে পারে।)
ইতোমধ্যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ–ভারত–চীন—এই ত্রিমাত্রিক কূটনীতির প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য ও সফরগুলো আলোচনায় এসেছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন—ভারত স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ দেওয়ার অবস্থান বজায় রাখবে; পাশাপাশি তিনি ভারতের ‘ফেক নিউজ’ সংস্কৃতি নিয়েও মত দিয়েছেন—যা পারস্পরিক ধারণা–বিভ্রান্তি বাড়ায় বলে তাঁর মন্তব্য। এসব বক্তব্য ও সফরকে ঘিরে দেশি–বিদেশি রাজনীতিতে পাল্টা ন্যারেটিভ গড়ে উঠেছে।
রিসেপশন বনাম রেজাল্ট: রোম, নিউইয়র্ক বা দাভোসে উচ্চ–স্তরের প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দেওয়া আন্তর্জাতিক মনোযোগ টানে; তবে নীতিগত ফলাফল (বিনিয়োগ, ঋণের সুদছাড়, বাণিজ্য প্রবেশাধিকার, মানবাধিকার প্রগ্রেস নোট)—এসবের পরিমাপযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারলে তবেই ন্যারেটিভ শিফট স্থায়ী হয়।
ডমেস্টিক কস্ট–বেনিফিট: রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের জাস্টিফিকেশন টেকসই করতে সফর–উত্তর অ্যাকশন লিস্ট (চুক্তি, এমওইউ, সহায়তা প্যাকেজ, কেস-স্পেসিফিক ফলোআপ) প্রকাশ জরুরি—নয়তো ব্যয়ের সমালোচনা রাজনৈতিক পুঁজি ক্ষয় করতে পারে।
ইনফো-ওয়ারফেয়ার থিয়েটার: সামাজিক মাধ্যমে ‘ফ্যাসিস্ট’, ‘কুপ’, ‘বিদেশি এজেন্ডা’ ইত্যাদি লেবেল—সব পক্ষ থেকেই ব্যবহৃত হচ্ছে; তাই ফ্যাক্ট–চেকিং ও ওপেন ডেটা প্রকাশ রাষ্ট্র–রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।
The Business Standard — “CA Yunus returns home after decrying global military spending at UN forum; Rome visit” (১৫ অক্টোবর ২০২৫)।
Wikipedia (aggregated with primary refs) — “List of international trips made by Muhammad Yunus as Chief Adviser of Bangladesh” (নিয়মিত হালনাগাদ তালিকা)।
The Times of India / The Economic Times — প্রধান উপদেষ্টার ভারত–সংশ্লিষ্ট মন্তব্য ও ‘ফেক নিউজ’ প্রসঙ্গ; আঞ্চলিক ন্যারেটিভ বিতর্ক (১৩–১৪ অক্টোবর ২০২৫)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |