নুরুল হক নুরের বিস্ফোরক মন্তব্য: “এনসিপি নেতাদের নামে টিভি লাইসেন্স → অস্বচ্ছতা, দায় কার?”
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, তিনি শুনেছেন যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র দুই নেতার নামে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, যেসব ব্যক্তি নামে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তাদের পারিবারিকভাবে জীবিকা সংগ্রামে হিমশিম খেতে দেখা হয়, এবং এমন অনুমোদন একটি সরকারের অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতমূলক মনোভাব প্রকাশ করে।
এই মন্তব্য তিনি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে করেন। তিনি বলেন, “আমি একটি দলের প্রধান, কিন্তু ৫ আগস্টের পরে যেখানে ছিলাম ওখানেই আছি … কোত্থেকে কীভাবে কী দেওয়া হয়, সেটা আমি জানি না”। তাঁর মতে, ৫ আগস্টের পরে অনেক গণমাধ্যম দখল হয়েছে, এবং নতুন অনুমোদন সেই একই “পুরনো স্টাইলে” হয়েছে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| চ্যানেল নাম ও অনুমোদন | নতুন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে “নেক্সট টিভি” ও “লাইভ টিভি” নামে। |
| লাইসেন্স প্রাপ্তি তারিখ | নেক্সট টিভির লাইসেন্স অনুমোদিত হয় ২৪ জুন এবং লাইভ টিভির অনুমোদন ১৪ জুলাই |
| চ্যানেল প্রার্থী | নেক্সট টিভিের ক্ষেত্রে আবেদনকারী: ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’ যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুর রহমান তুহিন, যিনি এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক লাইভ টিভির ক্ষেত্রে আবেদনকারী: ‘মিনার্ভা মিডিয়া লিমিটেড’, যার নাম আরিফুর রহমান |
| লাইসেন্স প্রক্রিয়া | প্রথাগত প্রক্রিয়ায় — তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, followed by বিটিআরসি ফ্রিকোয়েন্সি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া নতুন দাবি: অনুমোদন দেওয়া হয়েছে পুরনো নিয়মেই, যদিও মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি |
| সমস্যাসূচক প্রশ্ন | চ্যানেলের আর্থিক সক্ষমতা, উদ্যোগের নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে |
নুরের বক্তব্যের মূল দিকগুলো:
“যে দুইজনের নামে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তাদের আমি ভালোভাবে চিনি … তারা নিজের ফ্যামিলি নিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছে।”
“ওয়ান ইলেভেনের সরকার শুরুতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাকশন দেখিয়েছিল … কিন্তু এই সরকারের সময় পুরনো স্টাইলে দখল, নিয়ন্ত্রণ, লোকজন বসানো চলছে।”
“৫ আগস্টের পরে অনেক গণমাধ্যম দখল হয়েছে।”
“এই সরকারের সিদ্ধান্তগুলোতে অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতমূলক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। … যেসব সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, তার দায় তাদের নিতে হবে।”
এই মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক অসন্তোষ, গণম হিসাব নাই এমন অনুমোদন ও কোনও নিয়ম বা নীতিমালা না থাকলে ক্ষমতার অপব্যবহার ইঙ্গিত করে।
মিডিয়া পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক প্রভাব:
টিভি চ্যানেল মালিকানায় রাজনৈতিক ব্যক্তির অংশগ্রহণ মিডিয়া স্বায়ত্তশাসন ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
স্বচ্ছতা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড:
অনুমোদন দেওয়া হলে, কেন তাদের এবং অন্যদের না — নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড কতটা স্বচ্ছ ছিল সেটি যাচাই করার দাবি উঠবে।
মিডিয়া দখল তত্ত্ব:
নুর দাবি করেছেন ৫ আগস্টের পর গণমাধ্যম দখল হয়েছে — অর্থাৎ পূর্বের সৈতান্তর রেখা বদলানো হতে পারে। এই অভিযোগ রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
প্রভাবিত গণমাধ্যম ও তথ্য ব্যাপকতা:
যদি নতুন চ্যানেলগুলো সরকার-আশ্রিত হয়ে কাজ করে, তাহলেই সংবাদ পরিবেশে পক্ষপাত ও প্যারামিড গঠন হতে পারে, যা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে দমন করতে পারে।
যদি এই রকম অনুমোদন নীতিমালা ও নিয়মশৃঙ্খলা বাদ দিয়েই দেওয়া হয়, তা পরবর্তীতে সংবাদ মাধ্যমগুলোর উপর আনুগত্য ও স্বজন্ত্রতা হ্রাস করতে পারে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য বিরোধিতা ও আন্দোলন বাড়তে পারে যদি অনুমোদন প্রক্রিয়া প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য বন্ধ বা কঠিন হয়।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, এই ধরনের অনুমোদনকে “রাজনৈতিক মিডিয়া দখল” হিসেবে মূল্যায়ন করা হতে পারে, যা গণতন্ত্র ও মিডিয়া স্বাধীনতার ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে পারে।
“এনসিপি নেতাদের টিভি মালিকানা নিয়ে যা বললেন নুর” — যুগান্তর (০৮ অক্টোবর ২০২৫)
“নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন” — জাগো নিউজ২৪ (০৭ অক্টোবর ২০২৫)
“পুরনো প্রক্রিয়ায় নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স” — প্রথম আলো (০৭ অক্টোবর ২০২৫)
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |