| বঙ্গাব্দ

“খায়রুল বাশার বাহারের ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, সিআইডির অভিযান”

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 30-09-2025 ইং
  • 4080843 বার পঠিত
“খায়রুল বাশার বাহারের ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, সিআইডির অভিযান”
ছবির ক্যাপশন: “খায়রুল বাশার বাহার

“সিআইডির হাতে ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, খায়রুল বাশার বাহারের প্রতারণার চিত্র”

🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ


সিআইডি ক্রোক করেছে খায়রুল বাশার বাহারের ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট গত ৩০ সেপ্টেম্বর মো. খায়রুল বাশার বাহারের মালিকানাধীন প্রায় ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া

সিআইডির তদন্তে জানা যায়, মো. খায়রুল বাশার বাহার ও তার সহযোগীরা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর নাম করে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের পাঠানোর ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন।

মামলার শুরু ও গ্রেপ্তার

সিআইডি কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন খান জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে ৪ মে ডিএমপির গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪(২) ও ৪(৪) ধারায় মামলা করা হয়। পরে ১৪ জুলাই ধানমণ্ডি এলাকা থেকে সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।

৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ

সিআইডির তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, খায়রুল বাশার বাহার প্রতারণার অর্থ দিয়ে ১২২.৪৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন, যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। তার নামে থাকা এই স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আদেশ দেন।

প্রতারক চক্রের সহায়তায় বিপুল সম্পদের মালিক

মো. খায়রুল বাশার বাহার নিজেকে শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী পরিচয় দিলেও বাস্তবে তিনি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সহায়তায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। সিআইডি আরও জানিয়েছে, তার নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও সম্পদের অনুসন্ধান চলছে।

তদন্ত কার্যক্রম

সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং আরও অনেক স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সূত্রসমূহ

  1. বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি - ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট

  2. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)

  3. বাংলাদেশের প্রতারণার মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency