খালেদা জিয়া দেশের জন্য অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন: ঠাকুরগাঁও সম্মেলনে মির্জা ফখরুল
প্রতিবেদনকারীর নাম:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশনেত্রী দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এবং গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। তিনি কখনো মাথা নত করেননি।
৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন:
দেশের মানুষ এখন তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বেই ভবিষ্যতে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা হবে।
বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছে, মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে।
ভিশন ২০৩০ এর মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
এখন ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনীতি, রাজনৈতিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দলটি।
ফখরুল বলেন:
গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিস্ট শাসনে’ গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে।
অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
২৪ জুলাই ঢাকার রাজপথে তরুণ-যুবক-নারী-শিশুরা প্রাণ দিয়ে অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করেছে।
শুধু ঠাকুরগাঁও জেলাতেই ১৫ বছরে বিএনপির ১২ জন সহকর্মী শহীদ হয়েছেন, এর মধ্যে জুলাই মাসেই প্রাণ দিয়েছেন চারজন।
এই জেলায় আওয়ামী লীগ প্রায় ৭৫টি মামলা দিয়ে সাড়ে ৭ হাজার নেতাকর্মীকে হয়রানি করেছে।
ফখরুল বলেন, “আজকের এই সম্মেলন আমাদের কাছে আনন্দ ও দুঃখের মিশ্র অনুভূতি। আনন্দের কারণ— আমরা মুক্ত পরিবেশে গণতান্ত্রিক দলীয় কার্যক্রম চালাতে পারছি। দুঃখের কারণ— আমরা অনেক প্রিয় সহযোদ্ধাকে হারিয়েছি।”
বিএনপি মহাসচিব স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, “তিনি এমন একটি দল গড়ে দিয়েছিলেন, যে দল গণতন্ত্র রক্ষায় সংগ্রাম করেছে এবং প্রাণ দিয়েছে।”
সম্মেলনের বিকাল সাড়ে তিনটায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন।
মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে দুটি মূল বার্তা উঠে এসেছে:
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ত্যাগ ও সংগ্রামকে দলীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা।
তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
এছাড়া ৩১ দফা কর্মসূচির উল্লেখ বিএনপির নতুন রূপরেখাকে সামনে নিয়ে এসেছে, যা আসন্ন নির্বাচনী রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় শহীদ ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের স্মরণ করে ফখরুল তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে আবেগগত সংযোগ জোরদার করেছেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫)।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্বোধনী বক্তব্য।
বিএনপির ভিশন ২০৩০ ও ৩১ দফা কর্মসূচি সংক্রান্ত দলীয় নথি।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |