| বঙ্গাব্দ

গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ নেতাকে বহিষ্কার: জানে আলম অপু ও রিয়াদসহ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 27-07-2025 ইং
  • 8766329 বার পঠিত
গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ নেতাকে বহিষ্কার: জানে আলম অপু ও রিয়াদসহ
ছবির ক্যাপশন: গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ নেতাকে বহিষ্কার

গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ জনকে বহিষ্কার: জানে আলম অপু ও রিয়াদ সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
রাজনৈতিক প্রতিবেদন | প্রকাশকাল: ২৭ জুলাই ২০২৫ | সূত্র: গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন


রাজধানীর গুলশান এলাকায় চাঁদা আদায়ের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ-এর পাঁচ সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর দুই ছাত্র সংগঠনই তাদের সংশ্লিষ্ট নেতাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে।


চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ জনের বহিষ্কার

গুলশান চাঁদাবাজি ঘটনায় আটক হওয়া সদস্যদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) অন্যতম।
এছাড়া, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু সহ আরও তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


জানে আলম অপুর দাবি: "আমি গ্রেপ্তার হইনি, চাঁদাবাজি করি নাই"

এ ঘটনায় জানে আলম অপু ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন,

“প্রথমত, আমি গ্রেপ্তার হইনি। দ্বিতীয়ত, আমি কোথাও চাঁদাবাজি করি না। গুলশানের ঘটনায় আমি সরাসরি জড়িত নই।”

তিনি আরও জানান,

“আমাকে প্রচণ্ড মানসিক চাপে রাখা হয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে লিখালিখি চলছে। আমি আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব এবং যদি আমার দ্বারা কোনো অপরাধ ঘটে থাকে, তাহলে আমি তার জন্য শাস্তি মাথা পেতে নেব।”

সংগঠনের নোটিশ: চাঁদাবাজিতে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত

গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ তাদের জরুরি নোটিশে জানায়,
চাদাবাজি করতে গিয়ে জানা আলম অপু ও আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমানসহ কয়েকজন সদস্যের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
নোটিশে বলা হয়—

“চাঁদাবাজির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর জানে আলম অপু ও আব্দুর রাজ্জাককে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ

গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ তাদের নোটিশে আরও উল্লেখ করেছে—

“বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও তাদের তিন নেতাকে বহিষ্কার

এছাড়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

উপসংহার

চাঁদাবাজি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের কারণে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের নেতাদের বহিষ্কার করেছে।
এটি ছাত্র সংগঠনগুলির জন্য একটি শৃঙ্খলা নির্ধারণকারী মেসেজ হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে।
তবে এখন প্রশ্ন উঠছে—এভাবে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও রাজনৈতিক আস্থার ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে কি না।

প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency