প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন ডেস্ক
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক বিপর্যয় চরমে। একযোগে ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা এক জরুরি যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করেছে, গাজার মানুষ অনাহারে ধুঁকছে। খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে ইসরাইল অবরোধ আরোপ করে মানবিক সহায়তা ঠেকিয়ে দিচ্ছে—এমনটাই অভিযোগ করেছে সংস্থাগুলো।
সেভ দ্য চিলড্রেন, মেডিসিনস স্যান্স ফ্রন্টিয়ের্স (MSF), এবং আরও শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী ও দাতা সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে:
"ফিলিস্তিনিরা আশা এবং হৃদয়ভঙ্গের ফাঁদে আটকে গেছে। তারা প্রতিদিন যুদ্ধবিরতি ও সাহায্যের অপেক্ষায় থাকলেও বাস্তবে পায় না কিছুই।"
— যৌথ বিবৃতি থেকে
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান বাস্তবতায় গাজার লাখো মানুষের জন্য দৈনিক মাত্র ২৮টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে, যেখানে জাতিসংঘ বলেছে দিনে কমপক্ষে ৬০০ ট্রাক প্রয়োজন খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের জন্য।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ত্রাণ সরবরাহে ঘাটতির কথা স্বীকার করলেও দোষ দিচ্ছে ত্রাণ সংস্থাগুলোকেই।
ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স (IDF) দাবি করেছে:
“আমাদের কাছে গাজা সীমান্তে ৯৫০টিরও বেশি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রস্তুত। কিন্তু সংস্থাগুলোর অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে তা বিতরণ করা যাচ্ছে না।”
তবে মানবিক সংস্থাগুলোর পাল্টা যুক্তি, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অবরোধ ও হামলার আশঙ্কায় তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢুকতে পারছে না।
MSF বলেছে, গাজার শিশুরা এখন দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি, যেখানে মাতৃদুগ্ধের জন্য পুষ্টি নেই, হাসপাতালে ওষুধ নেই, আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপত্তা নেই।
একজন এমএসএফ ডাক্তার বলেন:
“শিশুরা খালি পেটে ঘুমায়, সকালে ওঠে খাবার ছাড়া, আবার সন্ধ্যায় শোবার সময় কাঁদে অনাহারে।”
এই মানবিক সংকটের মূল কারণ ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া ইসরাইলি প্রতিশোধমূলক অভিযান এখন ৯ মাস পেরিয়েছে। এতে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ৭০ হাজারের বেশি আহত হয়েছে—জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী।
জাতিসংঘ ইতিমধ্যে এটিকে "বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল মানবিক সংকট" হিসেবে ঘোষণা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও গাজার পরিস্থিতিকে "অসহনীয় ও অগ্রহণযোগ্য" বলে মন্তব্য করেছে।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |