ময়মনসিংহ, ১৭ জুলাই ২০২৫ – ময়মনসিংহ শহরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির অধীনে থাকা একটি পুরনো ভবন ভাঙা নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন সম্পর্কে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভবনটি অস্কারজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পরিবারের নয়—এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, “সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।”
তবে মন্ত্রণালয় জানায়—
✅ ভবনটি ছিল শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর কর্মচারীদের জন্য নির্মিত
✅ জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানে লিপিবদ্ধ
✅ রায় পরিবারের কোনো সম্পত্তি নয়
স্থানীয় লেখক-কবি ও গবেষকরাও বিষয়টি সমর্থন করেছেন।
বিশিষ্টজনদের মধ্যে রয়েছেন কাঙাল শাহীন, অধ্যাপক বিমল কান্তি দে, কবি ফরিদ আহমেদ দুলাল।
তাঁরা জানান, সত্যজিৎ রায়ের পারিবারিক বাড়ি ‘হরিকিশোর রায় রোড’-এ অবস্থিত ছিল, যা বহু আগেই বিক্রি হয়ে যায়।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির জেলা অফিস হিসেবে ব্যবহৃত ভবনটি ২০১৪ সালেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০২৫ সালের প্রথমার্ধে আধুনিক ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিলামের মাধ্যমে ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এটি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় ৭ মার্চ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনগণকে জানানো হয়েছে।
প্রত্নতত্ত্ব গবেষক স্বপন ধর নিশ্চিত করেছেন,
➡️ ভবনটি কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়
➡️ এটি সরকারি তালিকায় ঐতিহাসিক বা সংরক্ষিত ভবন হিসেবেও তালিকাভুক্ত নয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে:
“সকল রেকর্ড ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, ভাঙা ভবনটির সঙ্গে সত্যজিৎ রায় বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই। ময়মনসিংহের শিশুদের স্বার্থে আধুনিক ভবন নির্মাণে সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।”
সরকার ভিত্তিহীন, তথ্যহীন ও উসকানিমূলক সংবাদ এড়িয়ে চলতে সাংবাদিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |