| বঙ্গাব্দ

ইসির ওয়েবসাইটে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক যুক্ত

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 16-07-2025 ইং
  • 8960492 বার পঠিত
ইসির ওয়েবসাইটে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক যুক্ত
ছবির ক্যাপশন: দাঁড়িপাল্লা

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক পুনঃস্থাপন

দীর্ঘ বিরতির পর জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ইসির ওয়েবসাইটে ফিরে এলো

নিবন্ধন বাতিল হওয়ার ১১ বছর পর আবারও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ যুক্ত হলো নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে।

বুধবার (১৬ জুলাই) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিস্টেম ম্যানেজার মো. রফিকুল হক নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের দপ্তরে প্রতীকের গেজেট ও হালনাগাদ তালিকা নিয়ে আসেন। সেখানেই জামায়াতের প্রতীক আবার যুক্ত করার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

নৌকা প্রতীক সরিয়ে দেওয়া হয়েছে

একই দিনে ইসির ওয়েবসাইট থেকে আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’ প্রতীকটি সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয়ে সিস্টেম ম্যানেজার রফিকুল হক সকালে সাংবাদিকদের জানান—

"ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওয়েবসাইট থেকে নৌকা প্রতীক সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।"

এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে নৌকা প্রতীকটি আওয়ামী লীগের একমাত্র দলীয় প্রতীক হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সাইটে সংরক্ষিত ছিল।


প্রতীকের ফিরতি: আইনি ও প্রশাসনিক পটভূমি

২০১৩ সালে আদালতের রায়ে জামায়াত ইসলামী দলের নিবন্ধন বাতিল হয়। এরপর ২০১৬ সালে ফুল কোর্ট সভার সিদ্ধান্তে দলটির প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ বাতিল করা হয়— যদিও সেটি কোনো আনুষ্ঠানিক আদালতের রায় ছিল না।

এখন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আবার প্রতীকটি যুক্ত হওয়াকে রাজনৈতিক মহলে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


প্রশ্ন উঠছে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান নিয়ে

এই হঠাৎ পরিবর্তনে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বিস্মিত।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর কেউ কেউ বলেছেন—

"নিবন্ধন বাতিল হওয়া দল কীভাবে আবার প্রতীক ফিরে পায়— তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।"

প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ প্রভাব

নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রেক্ষিতে জামায়াতের প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়া ভবিষ্যতের নির্বাচন ও রাজনৈতিক অঙ্কে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে জামায়াত যদি আবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন পায় বা জোট ভিত্তিক নির্বাচন করার সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আইনি স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

মূল তথ্য এক নজরে

বিষয়বিবরণ
দলবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
প্রতীকদাঁড়িপাল্লা
ইসির ওয়েবসাইটে যুক্ত১৬ জুলাই, ২০২৫
পূর্ববর্তী অবস্থা২০১৩ সালে নিবন্ধন বাতিল, ২০১৬ সালে প্রতীক বাতিল
নৌকা প্রতীকের অবস্থাএকইদিনে ওয়েবসাইট থেকে সরানো হয়

প্রতিবেদক :বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency