"সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে বাংলাদেশিদের হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ। ভারতকে আন্তর্জাতিক বিচারের আওতায় আনতে হবে।" — এমন কঠিন ভাষায় প্রতিবাদ জানালেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদের বর্ধিত সভায় তিনি দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন:
“সীমান্তে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড চলছে, অথচ রাষ্ট্র নির্বিকার। ভারতকে জাতিসংঘের অধীনে আন্তর্জাতিক বিচারের মুখোমুখি করা উচিত। এটা শুধু কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়, মানবাধিকার প্রশ্নেও জাতিকে হেয় করা।”
২০২4–25 সালে সীমান্তে বহু বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যার দায়ভার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর ওপর পড়ে। সাকি মনে করেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আগ্রাসনই নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীরবতার ফল।
মিটফোর্ড এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ সোহাগকে পাথর দিয়ে হত্যার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন:
“আইনশৃঙ্খলার যেই চিত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি তা চরম আতঙ্কের। জনগণ এই আতঙ্ক তৈরির রাজনীতিকে আর বরদাশত করবে না।”
তিনি আরও বলেন:
“চাঁদাবাজি ও বখরাবাজির কাঠামো অক্ষত রেখে কোনো সরকারই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না। এই কাঠামোতে যে সন্ত্রাস দানা বেঁধেছে, তা এখন খোলা রাস্তায় নৃশংসতায় রূপ নিচ্ছে।”
সাকি বলেন—
“যারা এসব সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণই এক সময় রুখে দাঁড়াবে। আমরা চাই না বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আবার ‘দখলদার রাজনীতির’ হাতে চলে যাক।”
এদিন গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ চলমান ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’ কর্মসূচির বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দলীয় কর্মপন্থা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা দেন।
সভায় বক্তৃতা করেন:
আবুল হাসান রুবেল (নির্বাহী সমন্বয়কারী)
তাসলিমা আখতার (রাজনৈতিক পরিষদ)
অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ (সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য)
বাচ্চু ভূঁইয়া, মনির উদ্দীন পাপ্পু, জুলহাসনাইন বাবু
কেন্দ্রীয় সদস্য অঞ্জন দাস, তরিকুল সুজন
উপদেষ্টা নাজার আহমেদ, কেরামত আলী প্রমুখ
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |