পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সাংবাদিক মাসুদ কামালের মন্তব্য
সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল পটিয়া থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর এর প্রত্যাহার প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে কিছু প্রশ্ন উঠছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা একটি ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার পর তাকে গ্রেপ্তার করতে বলা হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। মাসুদ কামাল তার ইউটিউব চ্যানেল ‘কথা’-তে এই বিষয়ে কথা বলেন।
মাসুদ কামাল বলেন, “এটা কোন আইনের আওতায় আসে?” তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি ধানমন্ডিতেও এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে কোনো প্রকাশককে গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছিল, অথচ তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। তিনি প্রশ্ন করেন, “এই আইনে কি কোনো দেশের কোনো আইনগত ভিত্তি আছে?”
তিনি আরও বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা যে ছাত্রলীগ কর্মী দীপঙ্করকে থানায় নিয়ে এসেছিল, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। থানায় গিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কি হয়।”
তিনি বলেন, “এভাবে মামলা না থাকলে গ্রেপ্তার করার তাগিদ কেন? এবং যদি কোনো মামলা না থাকে, তবে গ্রেপ্তারের প্রয়োজন কেন?” তার মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরির জন্য কোনো আইনি ভিত্তি থাকা উচিত। তিনি আরও যোগ করেন, “এদেশে অনেক মানুষই এক সময় ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকে, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে কেন?”
“এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ফলে, ছাত্রদের পক্ষে পটিয়া ব্লকেড করে দেয়। এরপর, থানা কর্তৃপক্ষ ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।”
পুলিশ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্র আন্দোলনকারীরা থানায় ভাঙচুর করেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এর ফলস্বরূপ, কয়েকজন আহত হন এবং পটিয়া ব্লকেড দেওয়া হয়।
মাসুদ কামাল শেষ পর্যন্ত বলেন, “আপনারা কি আইন? আপনারা কি এমন কোনো বিশেষ কাজ করেছেন যে আপনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সবাইকে চলতে হবে?” তিনি আরও বলেন, “একদা ছাত্রলীগের সদস্যরা যদি কোনো অপরাধ না করেই শুধু তাদের সদস্য হওয়ার জন্য আটক হন, তা হলে এমন ব্যবস্থা নেওয়া উচিত নয়।”
মাসুদ কামালের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইনের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং কোনো ব্যক্তি বা দলের সদস্য হওয়া, যদি তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকে, তবে তাকে গ্রেপ্তার করার অধিকার কারো নেই। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই গ্রেপ্তার এবং জোরপূর্বক অভিযানের মতো পরিস্থিতি চলতে থাকলে, তা আইনের শাসন এবং গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |