বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে "অনিশ্চয়তা ও অস্পষ্টতা" রয়েছে—এমনটাই দাবি করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন টক শোতে তিনি এসব কথা বলেন।
মোশাররফ হোসেন বলেন,
“আমরা ডিসেম্বরে মধ্যে নির্বাচন চাই। কেন চাই, সেটা নিয়ে আমাদের যুক্তি আছে। এটা নিয়ে কোনো আপস নেই।”
তবে তিনি স্পষ্ট করেন—রাজনীতিতে পারস্পরিক সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্বাচন হলে বিএনপির আপত্তি থাকবে না, যদি সেটা গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
“প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য শুনে বিএনপি শতভাগ আশ্বস্ত হতে পারছে না। ওনার কথার মধ্যে একটা অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।”
তিনি ইঙ্গিত দেন, নির্বাচনকালীন সময়, প্রক্রিয়া ও নির্দিষ্ট রোডম্যাপ নিয়ে সরকার পক্ষ এখনও যথেষ্ট স্বচ্ছ নয়।
“বাংলাদেশের ইতিহাসে এপ্রিল মাসে কখনো নির্বাচন হয়নি। বৈরী আবহাওয়া, রোজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার চাপ—সব মিলিয়ে এটা একধরনের ‘চালাকি’। যদি নির্বাচন পিছিয়ে যায়, তাহলে আবার ডিসেম্বর ছাড়া আর সময় পাওয়া যাবে না।”
তিনি এটাকে কৌশলগত দেরির প্রচেষ্টা বলেও ব্যাখ্যা করেছেন।
অর্থনৈতিক সংকট:
“ব্যাংকে টাকা নাই, বৈদেশিক সাহায্য নাই। উন্নয়ন সহযোগীরাও অন্তবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে না।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি:
“পুলিশ-প্রশাসন ভেঙে পড়েছে। ট্রমার মধ্যে আছে তারা।”
সামাজিক অনিশ্চয়তা:
“দেশ আজ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে। রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকা কঠিন হবে, যদি দ্রুত সমাধান না আসে।”
“জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপি ছাড় দিতে রাজি, তবে সেটা হবে আলোচনার মাধ্যমে। আমরা ১০ মাস ধরে দেখছি—যারা ইন্টারিম গভর্নমেন্ট গঠন করেছে, তারা কোথাও সফল হয়নি। বাংলাদেশ সেই পথে না যাক।”
মোশাররফ হোসেনের বক্তব্য বিএনপির দুটি বার্তা স্পষ্ট করে দেয়:
সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও নির্বাচন আয়োজন ছাড়া আস্থা ফিরছে না
গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা সম্ভব, একতরফা সিদ্ধান্ত নয়
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তবর্তী সরকারকে যদি আস্থার জায়গায় নিতে হয়—তবে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য রোডম্যাপ প্রকাশ ছাড়া বিকল্প নেই।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |