গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, সরকার দেশের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, দখলদারি ও তদবিরবাণিজ্য বন্ধে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন,
“সরকারের দায়িত্ব ছিল—দখলদারি, চাঁদাবাজি, লুটপাট, তদবিরবাণিজ্য বন্ধ করা। কিন্তু সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় এসব আরও বিস্তৃত হয়েছে।”
রাশেদ খান দাবি করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে সুবিধাভোগী গোষ্ঠী বিভিন্ন এলাকায় অপরাধে যুক্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন—
“তাদের কোনো পদ-পদবি নেই, কিন্তু দলীয় নেতাদের আশ্রয়ে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এগুলো আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের আমলেও, এখন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে।”
তিনি এনসিপির এক নেতার উদাহরণ টেনে বলেন—
“আমি এক অপরাধীর তথ্য পাবলিক করেছিলাম, দুদিনের মধ্যে সে জামিনও পেয়ে যায়। এই যে দ্রুত জামিন, রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া এটা সম্ভব?”
সরকারি প্রশাসন ও সচিব নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন—
“সচিব কিংবা প্রশাসক যাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, কোন প্রক্রিয়ায় হচ্ছে সেটা জাতি জানে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া এভাবে রাষ্ট্র চলতে পারে না।”
তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিয়েও বলেন—
“সরকারের উপদেষ্টা বা এপিএসদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কি কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেছে? দুদক কী করছে?”
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়নি—এই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্য তুলে ধরেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন—
“প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট বলেছেন—‘আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করিনি’।
সাময়িকভাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারবে কি না, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে।”
রাশেদ খান সরকারের ব্যর্থতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, এবং দলীয় আশ্রয়ে অপরাধ বিস্তারের বিষয়ে যেভাবে মুখ খুলেছেন—তা বর্তমান সরকারকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তার বক্তব্য গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের দাবিতে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |