বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আয়োজনে আজ ২২ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিচার বিভাগ সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ‘বিচারিক স্বাধীনতা ও দক্ষতা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিকেল পৌনে ৫টায় শুরু হবে এই অনুষ্ঠান, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সেমিনারটিকে “বিচার বিভাগের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক টার্নিং পয়েন্ট” হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল, ঢাকা
তারিখ ও সময়: ২২ জুন ২০২৫, বিকেল ৪:৪৫
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
ড. আসিফ নজরুল (আইন উপদেষ্টা)
বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম (আপিল বিভাগ)
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান
এডভোকেট জয়নুল আবেদীন (বার কাউন্সিল ভাইস চেয়ারম্যান)
ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন (সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি সভাপতি)
আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা
১৪৩ জন জেলা ও মহানগর বিচারক
চিফ মেট্রোপলিটন ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সেমিনারে উপস্থাপন করা হবে—
বিচার বিভাগ সংস্কারে প্রধান বিচারপতির ঘোষিত ‘রোডম্যাপ’
বিচারক নিয়োগ, শৃঙ্খলা বিধান, আদালতের পরিকাঠামো, পৃথক সচিবালয়
জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে গতি ও স্বচ্ছতা
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪: সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রধান বিচারপতি প্রথম ঘোষণা দেন এই সংস্কার রোডম্যাপ
এরপর দেশের প্রতিটি বিভাগে জেলা জজদের নিয়ে সেমিনার আয়োজন করা হয়
বিচার বিভাগে পৃথক সচিবালয়ের দাবি ও উচ্চ আদালতে সুবিচার নিশ্চিতে নীতিগত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়
কাঠামোগত স্বাধীনতা
প্রশাসনিক সক্ষমতা
আইন মন্ত্রণালয় থেকে নীতিগত স্বাতন্ত্র্য
প্রধান বিচারপতির ভাষায়,
“প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ২২ জুন একটি টার্নিং পয়েন্ট হবে, যা বিচার ব্যবস্থার ভবিষ্যত নির্ধারণে পথ দেখাবে।”
বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হতে পারে
আদালত পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও দ্রুততা বাড়বে
বিচারক প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে
প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়
বাজেট ও মানবসম্পদ ঘাটতি
নীতিগত স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নের সময়ক্ষেপণ
আজকের এই জাতীয় সেমিনার কেবল একটি আলোচনা সভা নয়, বরং একটি বিচারিক আন্দোলনের নীতিগত ভিত্তিপ্রস্তর। সংস্কারের এই ধারাবাহিকতা যদি টিকে থাকে, তবে জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ হবে আরও সহজ ও স্বচ্ছ। ২২ জুন ২০২৫ তাই হয়ে থাকবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন।
Q1: এই সেমিনারটির মূল লক্ষ্য কী?
→ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা
Q2: কারা উপস্থিত থাকবেন?
→ প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, আপিল বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ ১৪০+ বিচারক
Q3: এই সেমিনারে কী বিষয়ে আলোচনা হবে?
→ বিচার বিভাগের সংস্কার, পৃথক সচিবালয়, বিচারক নিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন
Q4: এই সেমিনার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
→ এটি বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য ও কাঠামোগত সংস্কারের একটি মাইলফলক
Q5: এর ভবিষ্যৎ প্রভাব কী হতে পারে?
→ বিচার বিভাগ প্রশাসন থেকে স্বাধীন হয়ে স্বশাসিত হতে পারে
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |