| বঙ্গাব্দ

বিএনপির নির্বাচনী কর্মসূচি: জাতীয় নির্বাচনের দাবি ও দ্রুত সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 29-01-2025 ইং
  • 5805298 বার পঠিত
বিএনপির নির্বাচনী কর্মসূচি: জাতীয় নির্বাচনের দাবি ও দ্রুত সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন
ছবির ক্যাপশন: বিএনপির নির্বাচনী কর্মসূচি

বিএনপির নতুন নির্বাচনী কর্মসূচি: সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে নামছে দলটি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাচনের জন্য হার্ডলাইনে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে নতুন কর্মসূচি নিয়ে দলটি আবারও মাঠে নামবে। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের ছয় মাস পর প্রথম কর্মসূচি হতে যাচ্ছে।

আগামী রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। ২৬ জানুয়ারি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম, জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএনপির দাবি, তারা ন্যূনতম সংস্কার সাপেক্ষে দ্রুত সময়ে নির্বাচনের আয়োজন চায় এবং এর জন্য কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দলের সদস্যরা সরকারের কাছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নতুন দলের গঠন বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি করছেন। এছাড়া, বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশে তৃণমূলে জনমত গঠনে নেতারা পুনরায় মাঠে যাচ্ছেন।

বিএনপির প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করা সম্ভব। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন যদি আন্তরিক হয়, তবে এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে।”

কর্মসূচি ও আন্দোলন:

বিএনপি চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে শীতবস্ত্র বিতরণ, আন্দোলনে আহতদের পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মশালা। দলটি মনে করছে, অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে পারলে, বর্তমান সরকার কেন আগামী ছয় মাসে নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না?

সরকারের ষড়যন্ত্র ও বিএনপির অবস্থান:

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, দেশে ‘পতিত ফ্যাসিবাদের’ নানা ষড়যন্ত্র চলছে, যা অস্থিরতা বাড়াচ্ছে। তারা মনে করেন, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া নির্বাচন প্রলম্বিত হলে সংকট আরও গভীর হবে। বিএনপির সদস্যরা দাবি করছেন, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে, তবে নির্বাচন দ্রুত অনুষ্ঠিত হবে।

পক্ষ ও বিপক্ষের অবস্থান:

বৈঠকে অংশ নিয়ে বিএনপির সদস্যরা বলেছেন, ছাত্ররা যে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র পাঠিয়েছে, তাতে কিছু সংশোধন ও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বিএনপি মনে করে, মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতি রেখে এমন ঘোষণাপত্র তৈরি করা উচিত, যা দেশের ভিত্তি ও অর্জনকে সম্মান জানাবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “বিএনপি কখনোই সংস্কার চায়নি, তবে নির্বাচন হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার সাপেক্ষে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন প্রয়োজন।”

শেষ বৈঠক:

বিএনপির সর্বশেষ বৈঠকটি গুলশানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency