| বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার পরিবারের সম্পদ জব্দ ও রিসিভার নিয়োগের আদেশ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 01-05-2025 ইং
  • 8658137 বার পঠিত
শেখ হাসিনার পরিবারের সম্পদ জব্দ ও রিসিভার নিয়োগের আদেশ
ছবির ক্যাপশন: শেখ হাসিনার পরিবারের সম্পদ জব্দ ও রিসিভার নিয়োগের আদেশ

শেখ হাসিনার পরিবারের সম্পদ জব্দ ও রিসিভার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত

৩০ এপ্রিল ২০২৫:

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, ছোট বোন শেখ রেহানা, এবং তার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক-এর স্থাবর সম্পদ জব্দ এবং রিসিভার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

এটি ছিল দুদকের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা জাতীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে, শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তি অবৈধভাবে অর্জিত হতে পারে এমন সন্দেহের ভিত্তিতে জব্দ করা হয়েছে।

ক্রোককৃত সম্পত্তি:

এই আদেশের আওতায় বিভিন্ন প্রকার সম্পত্তি ক্রোক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে ঢাকার বারিধারা এলাকায় একটি ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা মূল্যের প্লট রয়েছে, যা জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা জেলার দিঘলিয়ায় শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে ৬১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা মূল্যের জমি রয়েছে, যা ক্রোক করা হয়েছে।

এছাড়া, শেখ রেহানার নামে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯ শতাংশ জমি এবং রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকির নামে ৮৭.৭০ শতাংশ জমি সিজ করা হয়েছে।

ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ:

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর নামে গুলশানে অবস্থিত একটি ফ্ল্যাটও জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই সম্পত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, এটি অবৈধভাবে অর্জিত হতে পারে।

আদালতের আদেশের গুরুত্ব:

এই আদালতের আদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপের ফলাফল প্রভাবিত করবে রাজনৈতিক পরিবেশ। জনগণের কাছে এটি একটি বার্তা হিসেবে চলে এসেছে যে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পত্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

দুদক সর্বদা জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এবং এটি রাষ্ট্রীয় নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ:

এখন এ বিষয়ে দুদক ও আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনায় নতুন কিছু আইনগত জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে, যা সম্ভবত আদালত এবং দুদক উভয়ই পরবর্তীতে মোকাবেলা করবে।

এটি সমাজের বিভিন্ন স্তরে আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার উত্তর কেবল ভবিষ্যতের আদালত এবং দুদকের সিদ্ধান্তের মধ্যেই পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency