আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬ এপ্রিল ২০২৫
বিশ্বব্যাপী জনমত ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি করা ‘বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃণিত দেশগুলোর তালিকা’-তে ভারতের নাম উঠে এসেছে। ভারতের অবস্থান এই তালিকায় দশম।
এই র্যাংকিং প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী নিউজউইক, যা প্রখ্যাত গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-এর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে।
নিউজউইকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যে ভারতও রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।
প্রতিবেদন অনুসারে, এই তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক জনমত জরিপ, বৈশ্বিক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, সংবাদ প্রতিবেদন ও গবেষণালব্ধ তথ্যের সমন্বয়ে। বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, মানবাধিকার পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক আচরণ এবং সামাজিক নীতির ভিত্তিতে রেটিং প্রদান করা হয়েছে।
তালিকায় ভারতের দশম অবস্থানে উঠে আসার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছে নিউজউইক। এর মধ্যে রয়েছে:
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর সহিংসতা
ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় মেরুকরণ
হিন্দুত্ববাদী উগ্র রাজনীতির উত্থান
বাক-স্বাধীনতা ও মিডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চলমান বৈষম্য ও সহিংসতা, কাশ্মীর পরিস্থিতি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত।
নিচে তালিকাটি তুলে ধরা হলো:
চীন – কর্তৃত্ববাদী শাসন, সেন্সরশিপ, মানবাধিকার লঙ্ঘন
যুক্তরাষ্ট্র – বিশ্বজুড়ে হস্তক্ষেপ ও সামরিক আগ্রাসন
রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধ ও স্বৈরশাসনের জন্য
উত্তর কোরিয়া – নিপীড়নমূলক সরকারব্যবস্থা
ইসরায়েল – গাজায় সামরিক অভিযান ও মানবিক সংকট
পাকিস্তান – রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জঙ্গি কার্যক্রম
ইরান – কঠোর ধর্মীয় শাসন ও নারী অধিকার লঙ্ঘন
ইরাক – দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা ও সহিংসতা
সিরিয়া – গৃহযুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়
ভারত – ধর্মীয় উত্তেজনা ও সংখ্যালঘু নির্যাতন
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। এই তালিকায় ভারতের অন্তর্ভুক্তি সেই উদ্বেগকে আরও জোরালো করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত যদি এর বৈশ্বিক ভাবমূর্তি রক্ষা করতে চায়, তবে সরকারকে অবশ্যই ধর্মীয় সহনশীলতা, মানবাধিকার, এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |