| বঙ্গাব্দ

শাকিব খানের নতুন নায়িকা কিনজা হাশমি, আসছে মহব্বত

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 04-11-2026 ইং
  • 3828 বার পঠিত
শাকিব খানের নতুন নায়িকা কিনজা হাশমি, আসছে মহব্বত
ছবির ক্যাপশন: শাকিব খানের নতুন নায়িকা

শাকিব খানের নতুন নায়িকা পাকিস্তানের কিনজা হাশমি, ‘মহব্বত’ নিয়ে আলোচনা

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’-এ নায়িকা হিসেবে দেখা যেতে পারে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিনজা হাশমিকে। সিনেমাটিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য তাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

সিনেমাটির পরিচালক হিমেল আশরাফ কিংবা প্রযোজক আরশাদ আদনান কেউই এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। তবে কিনজা হাশমিকে চুক্তিবদ্ধ করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শাকিবের নতুন নায়িকাকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

২০২৭ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে ‘মহব্বত’ সিনেমাটি। গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ছবিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শাকিব খানের বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

সম্ভাব্য নায়িকা হিসেবে পাকিস্তানের আরও কয়েকজন অভিনেত্রীর নাম সামনে এসেছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন হানিয়া আমির, সজল আলি, ইয়ামনা জায়েদী ও দুর-ই-ফিশান সেলিম। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শেষ পর্যন্ত কিনজা হাশমিকেই নির্বাচন করা হয়েছে।

কে এই কিনজা হাশমি?

পাকিস্তানের টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ কিনজা হাশমি। ২০১৪ সালে অভিনয়ের মাধ্যমে বিনোদনজগতে যাত্রা শুরু করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যেই ছোট পর্দায় নিজের অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের নজর কাড়েন এই অভিনেত্রী।

‘ইশক তামাশা’ নাটকে রুশনা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশেষ পরিচিতি পান কিনজা। এরপর ‘গুল-ও-গুলজার’, ‘মোহলত’, ‘দিল আওয়াইজ’, ‘হুক’ ও ‘মেরে বান জাও’-এর মতো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া টেলিছবি ‘রূপোশ’-এও দেখা গেছে তাকে।

টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন কিনজা হাশমি। তার অভিনীত সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘কট্টর করাচি’ ও ‘শিরোস’।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ‘মহব্বত’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন এই পাকিস্তানি অভিনেত্রী। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে পরিচালক ও প্রযোজকের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency