রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরীক্ষার নতুন ধাপ শুরু
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে সফলভাবে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ নতুন ধাপ। গতকাল পরমাণু শক্তি কমিশন ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের যৌথ তত্ত্বাবধানে এই বিশেষ কারিগরি ও কোল্ড রান পরীক্ষা প্রক্রিয়া শুরু হয়। জাতীয় গ্রিডে নিরাপদে ও সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রিয়্যাক্টরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী যাচাই করাই এই নতুন ধাপের মূল উদ্দেশ্য।
নতুন ধাপের পরীক্ষা ও কারিগরি কার্যক্রম
উৎপাদন শুরুর পূর্ববর্তী এই ধাপে পারমাণবিক চুল্লি ও টারবাইন সিস্টেমের কার্যক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সিস্টেম প্রেসার ও তাপমাত্রা পরীক্ষা: রিয়্যাক্টরের ভেতরের চাপ এবং তাপমাত্রা সর্বোচ্চ স্বাভাবিক মাত্রায় রেখে বিভিন্ন নিরাপত্তা উপকরণের সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে।
টারবাইন ও জেনারেটর সংযোগ: স্টিম টারবাইন থেকে উৎপাদিত শক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ জেনারেটর চালনার প্রাথমিক প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
জাতীয় গ্রিড সমন্বয়: উৎপাদিত বিদ্যুৎ যেন কোনো ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালিত হতে পারে, সেজন্য সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এক নজরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি
প্রকল্পের নাম: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (প্রথম ইউনিট)
অবস্থান: ঈশ্বরদী, পাবনা
নতুন উদ্যোগ: বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরীক্ষামূলক নতুন ধাপ (কোল্ড রান ও সিস্টেম ট্রায়াল)
প্রধান লক্ষ্য: দ্রুত ও নিরাপদে জাতীয় গ্রিডে পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত করা
জাতীয় অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রভাব
প্রকল্পের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সকল পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
এই কেন্দ্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকটাই দূর হবে এবং শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে একটি বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |