নিজস্ব প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য দুই ধরনের কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির পূর্ব উপকূলের সমুদ্রে এ পরীক্ষা পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ প্রতিরোধ ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই এবং কৌশলগত অভিযান পরিচালনায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোই ছিল এ পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য।
কেসিএনএ জানায়, পরীক্ষায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি ছিল ‘পুলহওয়াসাল-৩-৩১’ মডেলের। গত সপ্তাহে স্থলভাগ থেকে যে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কথা জানিয়েছিল পিয়ংইয়ং, এটি সেই একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র।
দেশটির পূর্ব উপকূলের সমুদ্রে পরিচালিত পরীক্ষাগুলো পর্যবেক্ষণ করেন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাটির দাবি, এসব পরীক্ষার কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তার ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
ধারণা করা হয়, উত্তর কোরিয়ার হাতে বর্তমানে পুরোপুরি কার্যকর আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন নেই। তবে এ ধরনের সামরিক সক্ষমতা অর্জন দেশটির নেতা কিম জং উনের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। তিনি বিভিন্ন ধরনের কৌশলগত ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি করেছেন।
গত বছর দেশটির সাবমেরিন উৎপাদনকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার একটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তির সমালোচনা করেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে সেখানে ৮ হাজার ৭০০ টন ওজনের একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন নির্মাণাধীন অবস্থায় দেখা যায়।
কেসিএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই চুক্তিকে কিম জং উন কোরীয় উপদ্বীপের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। কয়েক দিন আগে দেশটি পূর্ব উপকূলের সমুদ্রে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব পরীক্ষা পিয়ংইয়ংয়ের ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতার অংশ।
এর আগে গত ৩ অক্টোবর একটি হাইপারসনিক মাঝারিপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে অস্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের মুখপাত্র জাং দো-ইয়ং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব হাইপারসনিক অস্ত্র পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই পদক্ষেপকে শক্তি প্রদর্শন হিসেবে দেখা যেতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |