প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতাধীন বহুল প্রতীক্ষিত ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জোরালো অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ ও আইডি থেকে প্রশ্নপত্র ও উত্তর ছড়িয়ে পড়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। এমন পরিস্থিতিতে সার্বিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।
নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি দ্য ফোকাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ও যুগ্মসচিব ডি এম আতিকুর রহমান।
তিনি জানান, “উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পরীক্ষার নতুন তারিখ ও সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।”
উল্লেখ্য, পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টায় অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ (১১তম গ্রেড) পদের এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মোট ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য সারা দেশ থেকে ৩ লাখের বেশি চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন এবং তারা দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেবল রাজধানী ঢাকাতেই প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে বড় ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগের রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের ভয়াবহ অভিযোগ তুলে একাধিক স্ট্যাটাস ও পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা—যিনি নিজেই নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন, তার এক স্বজনসহ অধিদপ্তরের একটি শক্তিশালী চক্র এই অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
ছড়িয়ে পড়া তথ্যে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করা হয় যে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে জনপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মোটা অঙ্কের গোপন আর্থিক চুক্তি করা হয়েছে। এমনকি পরীক্ষার আগের রাতে গোপন বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের জড়ো করে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ও উত্তর মুখস্থ করানো হচ্ছিল বলেও দাবি করা হয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব বিস্ফোরক অভিযোগ ও চুক্তির খবরের সত্যতা সম্পর্কে অধিদপ্তর বা আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো অফিসিয়াল বা নিশ্চিত বক্তব্য প্রদান করা হয়নি। এ নিয়ে অনুসন্ধানী তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |