নারায়ণগঞ্জে মাদরাসায় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ শিশুর করুণ মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের একটি স্থানীয় হাফেজিয়া মাদরাসায় অসাবধানতাবশত ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর দগ্ধ এক শিশু শিক্ষার্থীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় করুণ মৃত্যু হয়েছে। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ছাদের ওপর খেলতে গিয়ে অরক্ষিত বৈদুতিক তারের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
ঘটনার বিবরণ ও হাসপাতালে চিকিৎসা
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটি ওই মাদরাসার আবাসিক ভবনে থেকে লেখাপড়া করত।
দুর্ঘটনার সূত্রপাত: ঘটনার দিন বিকেলে মাদরাসার ছাদে অন্যান্য সহপাঠীদের সঙ্গে খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত পাশে থাকা উচ্চভোল্টেজের বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়ে শিশুটি।
শারীরিক অবস্থা: বিদ্যুতায়িত হওয়ার পর শরীর মারাত্মক দগ্ধ হলে শিক্ষক ও সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে আসেন।
চিকিৎসকের বক্তব্য: বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির শরীরের সিংহভাগ অংশ পুড়ে গিয়ে শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, ফলে নিবিড় পরিচর্যায় রেখেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এক নজরে নারায়ণগঞ্জ মাদরাসার দুর্ঘটনা
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| ঘটনাস্থল | নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদরাসা |
| ঘটনার ধরণ | ছাদ থেকে বৈদুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু |
| চিকিৎসাকেন্দ্র | শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট |
| আইনি অবস্থা | অপমৃত্যুর মামলা ও মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন |
| সংবাদের তারিখ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ
অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনায় শোকের ছায় নেমে এসেছে নিহতের পরিবার এবং সহপাঠীদের মধ্যে।
নারায়ণগঞ্জ থানা-পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল ও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভবনের বৈদুতিক নিরাপত্তার কোনো গাফিলতি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |