বিকল্প রুটে জাহাজ এবং খরচ ও সময় বৃদ্ধি
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল ব্যবহার করে এশিয়া থেকে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এবং কনটেইনার পরিবহনের ৩০ শতাংশেরও বেশি সম্পাদিত হয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে পৃথিবীর শীর্ষ শিপিং কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে লোহিত সাগরের রুট পরিবর্তন করে আফ্রিকার ‘কেপ অব গুড হোপ’ (Cape of Good Hope) হয়ে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল বিকল্প পথে জাহাজ পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে প্রতিটি জাহাজের গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ দিন বেশি সময় লাগছে। একই সঙ্গে জ্বালানি খরচ, জাহাজের ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম এবং কনটেইনার ভাড়া দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে।
লোহিত সাগর সংকটের মূল মূল দিকসমূহ
বর্তমান পরিস্থিতির প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিচে তুলে ধরা হলো:
সরবরাহ শৃঙ্খলে জট: ইউরোপ ও এশিয়ার বন্দরগুলোতে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হয়ে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা থমকে যাওয়ার ঝুঁকি।
জ্বালানি তেলের লাগামহীন দর: লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ক্রুড অয়েলের দাম লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়া।
মূল্যস্ফীতির নতুন ধাক্কা: পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ইলেকট্রনিক্স ও পোশাকের চূড়ান্ত দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা।
এক নজরে লোহিত সাগরের বাণিজ্য সংকট
| বিষয় | বিবরণ |
| কৌশলগত রুট | লোহিত সাগর ও বাব এল-মানদেব প্রণালী (সুয়েজ খাল সংযোগকারী) |
| বৈশ্বিক বাণিজ্যে অবদান | বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২% এবং মোট কনটেইনারের ৩০% এই পথে বাহিত হয় |
| বিকল্প পথ | আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ ঘুরে চলাচল (সময় বৃদ্ধি: ১০-১৫ দিন) |
| সম্ভাব্য পরিণতি | আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও পণ্য পরিবহন জট |
বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সুদূরপ্রসারী ধাক্কা
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |