বন্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সহায়তা চায় নেপাল: অবকাঠামো পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৫ বিলিয়ন ডলার
সাম্প্রতিক অকাল ও ভয়াবহ বন্যায় সৃষ্ট বিপর্যয় সামাল দিতে এবং দেশের ভেঙে পড়া অবকাঠামো পুনর্গঠনে বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে কারিগরি বিশেষজ্ঞ সহায়তা চেয়েছে হিমালয়কন্যা নেপাল। আজ ২৯ আগস্ট দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নেপালের অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এই আবেদন জানায়। বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ঘরবাড়ি পরিবেশবান্ধব উপায়ে পুনর্নির্মাণে অন্তত ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে বলে প্রাথমিক সরকারি প্রাক্কলনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্ষতির পরিধি ও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান
টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক ঢলে দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে জীবন ও সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা এককভাবে সামাল দেওয়া নেপাল সরকারের পক্ষে চ্যালেঞ্জিং।
কারিগরি বিশেষজ্ঞ সহায়তা: ভবিষ্যতের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম ও টেকসই পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক প্রকৌশলী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সরাসরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।
অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: দেশের প্রধান প্রধান সড়ক সংযোগ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বহু ব্রিজ ধ্বংস হওয়ায় বহু এলাকা এখনো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর আবাসন: বন্যার পানিতে ভিটেমাটি হারানো হাজার হাজার পরিবারের জন্য দ্রুত নিরাপদ আবাসন ও নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এক নজরে নেপালের বন্যা ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| আহ্বানকারী দেশ | নেপাল সরকার (অর্থ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়) |
| ঘটনার মূল কারণ | অনাকাঙ্ক্ষিত অকাল বন্যা ও পাহাড় ধস |
| পুনর্গঠন বাজেট | প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রাথমিক হিসাব) |
| সাহায্যের ধরন | আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনুদান ও অবকাঠামোগত বিশেষজ্ঞ সহায়তা |
| ঘোষণার তারিখ | ২৯ আগস্ট ২০২৬ |
জলবায়ু পরিবর্তন ও দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির আশঙ্কা
নেপাল সরকার আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) উন্নয়ন সহযোগীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |