লালমনিরহাটে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা, ১৭টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার হাজরানীয়া বাজারে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলা ঘটে। এই ঘটনায় ১৭টি দোকান ভাঙচুর এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। হামলার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় জনগণ এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব বিরোধের কারণে ভোটমারী গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে হাজরানীয়া বাজারের ব্যবসায়ী মশিউর রহমান মিন্টুর কথা কাটাকাটি হয়। এর পর, রাতে মিন্টুর ওপর আক্রমণ চালাতে কয়েকজন লাঠিসোটা নিয়ে হাজরানীয়া বাজারে উপস্থিত হয়। একপর্যায়ে তারা মিন্টুর দোকানসহ পাশের ১৭টি দোকানে হামলা করে। হামলাকারীরা দোকানগুলো ভাঙচুর করে এবং দোকানগুলোর নগদ টাকা, মালামাল ও পণ্য লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় বাজারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মিন্টুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। স্থানীয়রা জানায়, হামলাকারীরা পুরো বাজার এলাকা তছনছ করে চলে যায় এবং ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। হামলার পর এলাকার পরিস্থিতি অস্থির হয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এ ঘটনার পর, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারা পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে এবং স্থানীয় জনগণের মাঝে আতঙ্ক কমানোর চেষ্টা করে। পুলিশ জানায়, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী রেয়াজুল ইসলাম ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুরসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আসামিদের গ্রেফতার করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে, এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ধরনের সহিংসতা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |