বিশেষ অনুসন্ধান ও জাতীয় সংবাদ
৫ আগস্ট, ২০২৬
গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশত্যাগের প্রাক্কালে কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামরিক ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাਤੇ ঐতিহাসিক সেই দিনের আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
ঘটনাস্থল: কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটি (যেখানে হেলিকপ্টার থেকে নেমে সি-১৩০ বিমানে ওঠার আগে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেন হাসিনা)।
আলোচ্য বিষয়: আন্দোলন ও গণভবনমুখী জনস্রোতের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া।
নিরাপত্তা উপস্থিতি: বিমানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর পরিবারের সদস্যরা; তবে তিনি নিজে শেষ পর্যন্ত বিমানে ওঠেননি।
দিল্লি যাত্রা: পাইলট এয়ার কমোডর শামীম রেজা ও কো-পাইলট উইং কমান্ডার মাহফুজের পরিচালনায় বিমানটি বিকাল ৬টা ১৫ মিনিটে দিল্লির হিন্দন ঘাঁটিতে অবতরণ করে।
সামরিক সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্ট দুপুরে গণভবনের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে বিমানবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভারতের উদ্দেশে যাত্রার জন্য আগে থেকেই একটি সি-১৩০ জুলিয়েট সামরিক পরিবহন বিমান ইঞ্জিন চালু অবস্থায় প্রস্তুত রাখা ছিল।
কুর্মিটোলা ঘাঁটিতে পৌঁছে হেলিকপ্টার থেকে নেমে শেখ হাসিনা উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলেন। এ সময় তিনি রাজধানীর সার্বিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের তীব্রতা সম্পর্কে জানতে চান। কর্মকর্তারা তাকে গণভবনের দিকে ধেয়ে আসা বিশাল জনস্রোত এবং অভ্যুত্থানের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন। এর মাধ্যমেই তিনি দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে নিজের দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পতনের চূড়ান্ত বাস্তবস্থা সম্পর্কে অবগত হন।
৫ আগস্ট কুর্মিটোলা থেকে দিল্লি যাত্রার ক্ষণগণনা:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • স্থানান্তরিত মাধ্যম : এমআই-১৭ হেলিকপ্টার থেকে সি-১৩০ জুলিয়েট সামরিক বিমানে। │
│ • কর্মকর্তাদের তথ্য : গণভবনমুখী জনস্রোত ও আন্দোলনের তীব্রতা সম্পর্কে অবহিত হন।│
│ • বিমান পরিচালনা : পাইলট এয়ার কমোডর শামীম রেজা ও কো-পাইলট উইং কমান্ডার মাহফুজ।│
│ • গন্তব্য ও সময় : বিকেল ৬টা ১৫ মিনিটে দিল্লির হিন্দন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ। │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘
নিরাপত্তাজনিত কারণে উড্ডয়নের সময় বিমানের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখা হয় এবং রাডার এড়াতে প্রচলিত রুট পরিবর্তন করে বিকল্প পথে ভারতের আকাশসীমায় প্রবেশ করে বিমানটি। পরবর্তীতে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপদে দিল্লির হিন্দন ঘাঁটিতে পৌঁছায় ফ্লাইটটি। পুরো উদ্ধার অভিযানের সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিমানবাহিনীর তৎকালীন কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মান্নাফি।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |