| বঙ্গাব্দ

সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগের আইনি অধিকার দাতার

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 03-08-2026 ইং
  • 3029570 বার পঠিত
সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগের আইনি অধিকার দাতার
ছবির ক্যাপশন: ভোগের আইনি অধিকার দাতার

মালিকানা বদলালেও দাতার থাকবে ভোগাধিকার: সাথে পাস হলো ‘গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৬’

আইন ও শাসন ব্যবস্থা

৩ আগস্ট, ২০২৬

সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করলেও দাতা তাঁর জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগদখল ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার বজায় রাখতে পারবেন—এমন গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করে আইন সংশোধনের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই বৈঠকে দেশে প্রথমবারের মতো কার্যকর আইনগত কাঠামো তৈরিতে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

স্মার্ট সারসংক্ষেপ (Quick Takeaways)

  • দানকৃত সম্পত্তির নতুন বিধান: ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী সম্পত্তি দান করার পরও দাতা আজীবন তা ভোগ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

  • গুম প্রতিরোধ আইন অনুমোদন: ভুক্তভোগীদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান, ক্ষতিপূরণ ও পরিবার পুনর্বাসনের সমন্বিত কাঠামো নিয়ে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ অনুমোদিত।

  • সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধি: বয়োবৃদ্ধ দাতারা যাতে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর নিঃস্ব বা গৃহহীন না হয়ে পড়েন, তা নিশ্চিত করবে এই নতুন সংশোধনী।

আইনের মূল পরিবর্তন ও সুবিধা

বর্তমানে প্রচলিত সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কোনো ব্যক্তি অন্য কারো নামে সম্পত্তি দানপত্র (Gift Deed) রেজিস্ট্রি করে দিলে তৎক্ষণাৎ তার মালিকানা ও ভোগদখল গ্রহীতার কাছে চলে যায়। অনেক সময় বৃদ্ধ বয়সে পিতা-মাতা সন্তানদের নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর অবহেলা ও গৃহহীনতার শিকার হন।

 নতুন আইন সংশোধনের প্রধান দুই দিক:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ ১. 'সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ২০২৬' : হস্তান্তরের মাধ্যমে স্বত্ব বদলালেও দাতা  │
│                               জীবদ্দশায় তা ব্যবহার ও বসবাস করতে পারবেন।      │
│ ২. 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন' : গুমের বিচার, ভুক্তভোগীর সন্ধান, পরিবারকে │
│                               আইনি সুরক্ষার পূর্ণাঙ্গ আইনি ভিত্তি প্রদান।   │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

এই আইন পাসের ফলে জ্যেষ্ঠ নাগরিক ও সম্পত্তি দাতারা আইনিভাবে তাদের ভোগাধিকারের পূর্ণ সুরক্ষা পাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার পর একবার এক তরুণের বাঁধভাঙা উল্লাস ও আনন্দ-চিৎকার আমাকে ভিন্ন এক ভাবনায় আক্রান্ত করেছিল। তরুণের সেই উল্লাস আমাকে নতুন এক সমাজ-জিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। এটা কি জ্ঞান-পিপাসু হিসেবে উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও উম্মাহকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দ নাকি উন্নত জীবনের মোহনীয় হাতছানি এবং আজীবন সেখানে স্থায়ী হওয়ার দুয়ার খুলে যাওয়ার আনন্দ?  Advertisement  এদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী তরুণ উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে পা রাখে এবং সেখানে ক্যারিয়ার গড়ে। উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভিসা দেয় স্টুডেন্ট ক্যাটাগরিতে। পর্যটন ভিসার তুলনায় স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। কোনো কোনো দেশের স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার ৯৫ শতাংশেরও বেশি!  শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি ভালোবাসা থেকে তারা স্টুডেন্ট ভিসাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে বটে; তবে এর পেছনে একটি গভীর সমীকরণ রয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার কারণে অনেক উন্নত দেশের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। কমতে থাকা জন্মের হার রীতিমতো জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রণোদনা দিয়েও তারা জন্মহার বাড়াতে পারছে না।  তাদের প্রয়োজন আমাদের মতো গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের। যারা ছাত্র ভিসায় বিদেশে গিয়ে সেখানকার দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে উঠবে। এজন্য তারা গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের ওয়েলকাম জানাতে মুখিয়ে থাকে। অফার করে নানা রকম সুযোগ-সুবিধার। অনেক দেশে পড়াশোনার পর পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্টের পথ খুলে দেওয়া হয়।  জ্ঞান-গবেষণার জন্য দূর দেশে পাড়ি জমানো খারাপ কোনো বিষয় নয়। কিন্তু দেশের আলো-হাওয়ায় বড় হয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনার ভিত গড়ার পর নিছক একটু ভালো থাকার জন্য উন্নত ও অমুসলিম প্রধান দেশকে সার্ভ করা নিশ্চয়ই একজন মুসলিম তরুণের কাম্য বিষয় হতে পারে না। বাবা-মা যতদিন বেঁচে থাকেন, ততদিন দেশের সাথে এই শ্রেণির মানুষের নিভু নিভু সম্পর্কটা হারিকেনের সলতের মতো টিকে থাকে। বাবা-মার মৃত্যুর পর অনেকে দেশের সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে সেই টাকা বৈদেশিক সুখে বিনিয়োগ করে। দেশে তাদের শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট থাকে না।  শিক্ষার্থীদের মাঝে কেন দেশত্যাগের মিছিল চলছে? এর জন্য কি শুধুই তরুণদের ভোগবাদী মানসিকতা দায়ী? শিক্ষার্থীদের কাঠগড়ায় তুলবার আগে সবার প্রথমে নিজেদের ব্যর্থতার দিকে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও আমরা দুর্নীতিমুক্ত, অপরাধহীন, স্থিতিশীল, বাসযোগ্য ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাওয়ার মতো একটি দেশ গড়ে তুলতে পারিনি। যে দেশ নিয়ে একজন মেধাবী তরুণ স্বপ্নের বীজ বুনবে।  এখানে মেধার মূল্য নেই, ঘুস ও রেফারেন্স ছাড়া চাকরি হয় না, জীবন সর্বক্ষণ ঝুঁকিপূর্ণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক অবক্ষয় ও অস্থিরতার ছড়াছড়ি, দুর্নীতিতে সয়লাব প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং তরুণদের নিয়ে সর্বদা আতঙ্কে থাকতে হয় পরিবারকে।  এতসব অনিশ্চয়তার মাঝে মেধাবী শিক্ষার্থীকে যেখানে ওয়েলকাম করতে উন্নত দেশগুলো অ্যাম্বাসি খুলে বসে আছে, তার জন্য দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা কঠিন ব্যাপারই। এরপরও তারুণ্যকে আমি এই কঠিনেরে ভালোবাসার আহ্বান জানাই। কেউ দেশটাকে প্রস্তুত করে দেয়নি বলে আমি কি পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করব না? নিরুপদ্রব জীবনের জন্য সবাই যদি বিদেশকেই ঠিকানা বানায়, তবে চেইঞ্জ মেকার হবে কে?  প্রকৃতপক্ষে আমাদের তরুণদের সামনে কোনো ভিশন বা আদর্শ নেই, যার জন্য সে নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে। অধিকাংশ পরিবার, এমনকি খোদ রাষ্ট্রও তরুণদের আদর্শবাদী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট নয়; বরং ধর্মবিযুক্তির মাধ্যমে তাদের নিছক ভোগবাদী এবং স্বার্থপর করে গড়ে তোলা হচ্ছে।  তাই, মেধাবী তরুণদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার মিছিল থামানোর জন্য মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই সাথে প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেন আগামী প্রজন্ম আদর্শবাদী এবং শেকড়মুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।  সর্বোপরি তরুণদের ভোগবাদী জীবনের পরিবর্তে চ্যালেঞ্জের জীবন বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, ভোগে নয়, ত্যাগের মাঝেই রয়েছে প্রকৃত সুখের ঠিকানা। একটি দেশ উন্নত হয় মূলত তরুণদের মেধার ওপর ভর করে। সেই মেধা যদি বাইরে চলে যায় এবং বাইরের উন্নয়নে তা ব্যয় হয়, তবে সেই দেশ কোনোভাবেই সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় উঠতে পারে না। তাই মেধা পাচার রোধে আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।  সূত্র: শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক (মেটা) থেকে নেওয়া।

স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার পর একবার এক তরুণের বাঁধভাঙা উল্লাস ও আনন্দ-চিৎকার আমাকে ভিন্ন এক ভাবনায় আক্রান্ত করেছিল। তরুণের সেই উল্লাস আমাকে নতুন এক সমাজ-জিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। এটা কি জ্ঞান-পিপাসু হিসেবে উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও উম্মাহকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দ নাকি উন্নত জীবনের মোহনীয় হাতছানি এবং আজীবন সেখানে স্থায়ী হওয়ার দুয়ার খুলে যাওয়ার আনন্দ? Advertisement এদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী তরুণ উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে পা রাখে এবং সেখানে ক্যারিয়ার গড়ে। উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভিসা দেয় স্টুডেন্ট ক্যাটাগরিতে। পর্যটন ভিসার তুলনায় স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। কোনো কোনো দেশের স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার ৯৫ শতাংশেরও বেশি! শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি ভালোবাসা থেকে তারা স্টুডেন্ট ভিসাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে বটে; তবে এর পেছনে একটি গভীর সমীকরণ রয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার কারণে অনেক উন্নত দেশের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। কমতে থাকা জন্মের হার রীতিমতো জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রণোদনা দিয়েও তারা জন্মহার বাড়াতে পারছে না। তাদের প্রয়োজন আমাদের মতো গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের। যারা ছাত্র ভিসায় বিদেশে গিয়ে সেখানকার দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে উঠবে। এজন্য তারা গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের ওয়েলকাম জানাতে মুখিয়ে থাকে। অফার করে নানা রকম সুযোগ-সুবিধার। অনেক দেশে পড়াশোনার পর পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্টের পথ খুলে দেওয়া হয়। জ্ঞান-গবেষণার জন্য দূর দেশে পাড়ি জমানো খারাপ কোনো বিষয় নয়। কিন্তু দেশের আলো-হাওয়ায় বড় হয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনার ভিত গড়ার পর নিছক একটু ভালো থাকার জন্য উন্নত ও অমুসলিম প্রধান দেশকে সার্ভ করা নিশ্চয়ই একজন মুসলিম তরুণের কাম্য বিষয় হতে পারে না। বাবা-মা যতদিন বেঁচে থাকেন, ততদিন দেশের সাথে এই শ্রেণির মানুষের নিভু নিভু সম্পর্কটা হারিকেনের সলতের মতো টিকে থাকে। বাবা-মার মৃত্যুর পর অনেকে দেশের সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে সেই টাকা বৈদেশিক সুখে বিনিয়োগ করে। দেশে তাদের শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট থাকে না। শিক্ষার্থীদের মাঝে কেন দেশত্যাগের মিছিল চলছে? এর জন্য কি শুধুই তরুণদের ভোগবাদী মানসিকতা দায়ী? শিক্ষার্থীদের কাঠগড়ায় তুলবার আগে সবার প্রথমে নিজেদের ব্যর্থতার দিকে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও আমরা দুর্নীতিমুক্ত, অপরাধহীন, স্থিতিশীল, বাসযোগ্য ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাওয়ার মতো একটি দেশ গড়ে তুলতে পারিনি। যে দেশ নিয়ে একজন মেধাবী তরুণ স্বপ্নের বীজ বুনবে। এখানে মেধার মূল্য নেই, ঘুস ও রেফারেন্স ছাড়া চাকরি হয় না, জীবন সর্বক্ষণ ঝুঁকিপূর্ণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক অবক্ষয় ও অস্থিরতার ছড়াছড়ি, দুর্নীতিতে সয়লাব প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং তরুণদের নিয়ে সর্বদা আতঙ্কে থাকতে হয় পরিবারকে। এতসব অনিশ্চয়তার মাঝে মেধাবী শিক্ষার্থীকে যেখানে ওয়েলকাম করতে উন্নত দেশগুলো অ্যাম্বাসি খুলে বসে আছে, তার জন্য দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা কঠিন ব্যাপারই। এরপরও তারুণ্যকে আমি এই কঠিনেরে ভালোবাসার আহ্বান জানাই। কেউ দেশটাকে প্রস্তুত করে দেয়নি বলে আমি কি পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করব না? নিরুপদ্রব জীবনের জন্য সবাই যদি বিদেশকেই ঠিকানা বানায়, তবে চেইঞ্জ মেকার হবে কে? প্রকৃতপক্ষে আমাদের তরুণদের সামনে কোনো ভিশন বা আদর্শ নেই, যার জন্য সে নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে। অধিকাংশ পরিবার, এমনকি খোদ রাষ্ট্রও তরুণদের আদর্শবাদী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট নয়; বরং ধর্মবিযুক্তির মাধ্যমে তাদের নিছক ভোগবাদী এবং স্বার্থপর করে গড়ে তোলা হচ্ছে। তাই, মেধাবী তরুণদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার মিছিল থামানোর জন্য মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই সাথে প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেন আগামী প্রজন্ম আদর্শবাদী এবং শেকড়মুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। সর্বোপরি তরুণদের ভোগবাদী জীবনের পরিবর্তে চ্যালেঞ্জের জীবন বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, ভোগে নয়, ত্যাগের মাঝেই রয়েছে প্রকৃত সুখের ঠিকানা। একটি দেশ উন্নত হয় মূলত তরুণদের মেধার ওপর ভর করে। সেই মেধা যদি বাইরে চলে যায় এবং বাইরের উন্নয়নে তা ব্যয় হয়, তবে সেই দেশ কোনোভাবেই সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় উঠতে পারে না। তাই মেধা পাচার রোধে আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সূত্র: শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক (মেটা) থেকে নেওয়া।

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency