আন্তর্জাতিক ও দক্ষিণ এশিয়া বাণিজ্য ডেস্ক
১ আগস্ট, ২০২৬
কোভিড-১৯ মহামারি এবং সীমান্ত উত্তেজনার কারণে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে পূর্ব সিকিমের ঐতিহাসিক নাথুলা পাস (Nathu La Pass) দিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সীমান্ত বাণিজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুই দেশের উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাণিজ্য কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
কার্যক্রম শুরু: ১ আগস্ট, ২০২৬ (শনিবার)।
বন্ধের সময়কাল: ২০২০ সাল থেকে টানা প্রায় ৬ বছর (কোভিড মহামারি ও ডোকলাম/লাদাখ সীমান্ত উত্তেজনার প্রভাবে বন্ধ ছিল)।
গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল: পূর্ব সিকিম (ভারত) ও তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল (চীন)।
ব্যবসায়ীদের স্বস্তি: ওপারে আটকে থাকা বা বকেয়া পণ্য উদ্ধারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ইন্দো-চীন নাথুলা বর্ডার ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সন্তোষ প্রকাশ।
দীর্ঘদিন সীমান্ত বাণিজ্য থমকে থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন দু’দেশের শত শত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন কর্মীরা। পুনরায় বাণিজ্য চালু হওয়ায় সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং (Prem Singh Tamang)-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইন্দো-চীন নাথুলা বর্ডার ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অনিল গুপ্তা।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের মতে, এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কেবল ব্যবসায়িক স্থবিরতা কাটাবে না, বরং ভারত ও চীনের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।
রেশম পথ বা 'সিল্ক রুট' (Silk Route)-এর অংশ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই নাথুলা পাস অত্যন্ত কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বহন করে আসছে।
২০০৬ সালে পুনঃসূচনা: ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর ২০০৬ সালে সমঝোতার ভিত্তিতে এই রুটটি পুনরায় খোলা হয়েছিল।
সীমান্ত বাণিজ্য ও ধর্মীয় রুট: রেশম, পশম, মশলা, ইলেকট্রনিক্স ও ভেষজ পণ্যের বাণিজ্যের পাশাপাশি তিব্বতের মানস সরোবর যাত্রার জন্য পুণ্যার্থীদের কাছে এই পথটি অত্যন্ত জনপ্রি
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |