বিএনপি নেতা আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক চিরনিদ্রায় শায়িত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ১৪ মার্চ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনে।
জানাজা ও দাফন
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা শহরের গ্রীন রোডের বাসার পাশের মসজিদে আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তাঁর পরিবার, স্বজন, সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্খীরা অংশ নেন। পরে, বাদ জুম্মা ধানমন্ডির ঈদগাহ মসজিদে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পরিবারের অসম্মতির কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়নি।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
প্রসঙ্গত, আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক গত ১৩ মার্চ রাতে মস্তিষ্কে স্ট্রোক ও রক্তক্ষরণের কারণে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি কয়েকদিন ধরে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তাঁর অসুস্থতার শুরু হয়েছিল গত ৬ মার্চ, যখন তিনি ঢাকা ক্লাবে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ পড়ে যান। এরপর তাঁকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে নিউরো আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
শিক্ষাঙ্গনে বিশিষ্ট ভূমিকা
১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭তম উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ২০১৭ সালে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি লাভের পর আবারও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে যোগ দেন।
তিনি ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৯৪ ও ১৯৯৬ সালে সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ ও ২০০৫ সালে সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্মৃতিতে আরেফিন সিদ্দিক
আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ছিলেন একজন সফল শিক্ষক, গবেষক এবং শিক্ষাবিদ। তাঁর দীর্ঘকালীন শিক্ষকতা এবং নেতৃত্বের জন্য তাকে বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে এক অনন্য সম্মানে অভিষিক্ত করা হয়। তাঁর মৃত্যু দেশের শিক্ষাঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে, তবে তাঁর কর্মময় জীবন এবং শিক্ষায় অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |