| বঙ্গাব্দ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি: চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে নৌ অবরোধ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-05-2026 ইং
  • 15314 বার পঠিত
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি: চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে নৌ অবরোধ
ছবির ক্যাপশন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

‘তাড়াহুড়ো নয়, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ বহাল’: ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ইরান নীতি ও কড়া বার্তা

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬: ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত—নিজের আগের দিনের এমন দাবির পর এবার কিছুটা সুর নরম ও সংযত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সুর সংযত করলেও শর্তের প্রশ্নে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন তিনি। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রকার তাড়াহুড়ো করবে না। একই সাথে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, চুক্তি চূড়ান্ত, প্রত্যয়িত (Certified) এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কঠোর নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।

গত রবিবার (২৪ মে ২০২৬) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে (Truth Social) দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর প্রশাসনের এই সর্বশেষ নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার করেন।

১. শনিবারের তুলনায় সংযত ট্রাম্প: ‘সময় এখন আমাদের পক্ষে’

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রবিবারের পোস্টে ট্রাম্পের বক্তব্য আগের দিনের তুলনায় অনেক বেশি কৌশলগত ও বাস্তবসম্মত। কারণ শনিবারই তিনি বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, যা নিয়ে খোদ তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।

রবিবারের পোস্টে সেই সুর বদলে ট্রাম্প লিখেছেন, তেহরানের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের আলোচনা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে। তবে তিনি তাঁর কর্মকর্তাদের দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য বাড়তি চাপ না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষায়—

"আমাদের জলদি করার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ সময় এখন আমাদের (আমেরিকার) পক্ষেই আছে। চুক্তি সম্পূর্ণ রূপ না নেওয়া পর্যন্ত অবরোধ এক ইঞ্চিও শিথিল হবে না। উভয় পক্ষকে যথেষ্ট সময় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এই স্পর্শকাতর ভূ-রাজনীতিতে কোনো ভুল করা যাবে না।"

২. ওবামা আমলের ‘নিকৃষ্ট চুক্তি’র সমালোচনা ও পারমাণবিক হুঁশিয়ারি

ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৫ সালে বারাক ওবামা প্রশাসনের আমলে ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের হওয়া ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির (JCPOA) তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি ওই চুক্তিকে মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম ‘নিকৃষ্ট ও দুর্বল চুক্তি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, সেটি প্রকারান্তরে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথকেই আরও সুগম করে দিয়েছিল। তবে বর্তমান আলোচনাধীন খসড়া চুক্তিটিকে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এবং আমেরিকার স্বার্থরক্ষাকারী বলে উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি পেশাদার ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠছে। তবে একই সাথে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে অবশ্যই চিরতরে এটি মাথায় গেঁথে নিতে হবে যে—তারা কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি কিংবা সংগ্রহ করতে পারবে না।

ট্রাম্প-ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান সমঝোতার টাইমলাইন (২০২৬)

যুক্তরাষ্ট্রইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অবসান এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মে ২০২৬-এর শেষ সপ্তাহে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত চরম রূপ নেয়, যা বর্তমানে পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক সমঝোতার দিকে মোড় নিয়েছে।
সংঘাতের মূল প্রেক্ষাপট ও যুদ্ধ (২০২৫-২০২৬)
  • ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন ও পারমাণবিক সংকট (২০২৫): ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে চরম চাপ সৃষ্টি করেন। জেনেভায় কয়েক দফা আলোচনা হলেও উভয় পক্ষের অনমনীয় অবস্থানের কারণে কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি।
  • যৌথ সামরিক হামলা (২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর "প্রতিরোধমূলক" এবং ব্যাপক মাত্রার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। এই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই নিহত হন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন মোজতবা খামেনেই।
  • ইরানের পাল্টা আঘাত ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ (মার্চ, ২০২৬): ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটসহ একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ১৭০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। একই সাথে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যা বিশ্ববাজারের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকে স্থবির করে তোলে।
  • দ্বিমুখী অবরোধ ও অচলাবস্থা (এপ্রিল, ২০২৬): মার্কিন নৌবাহিনী ইরানকে অবরুদ্ধ করে এবং পাল্টা হিসেবে ইরান পারস্য উপসাগর অবরুদ্ধ করে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।

২০২৬ সালের বর্তমান সমঝোতার টাইমলাইন 
পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের জন্য যে সমঝোতা স্মারক (MoU) খসড়া করা হয়েছে, তার পর্যায়ক্রমিক অগ্রগতি নিচে দেওয়া হলো: 
  • ৮ এপ্রিল, ২০২৬: পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম ২ সপ্তাহের একটি প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়।
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৬: ইরানের পক্ষ থেকে নতুন শান্তি প্রস্তাব বিবেচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন।
  • ১৮ মে, ২০২৬: কাতার ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মিত্রদের অনুরোধে ট্রাম্প ইরানের ওপর পূর্বনির্ধারিত একটি বড় ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করেন। একই সময়ে তিনি ইরানকে দ্রুত চূড়ান্ত আলোচনায় বসার আলটিমেটাম দেন।
  • ২৩ মে, ২০২৬: ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ ঘোষণা করেন যে, ইরানের সাথে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিটি "প্রধানত মীমাংসিত" (Largely Negotiated) এবং এটি এখন আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
  • ২৪-২৫ মে, ২০২৬ (বর্তমান অবস্থা): ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই নিশ্চিত করেন যে চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে চুক্তির নির্দিষ্ট কিছু শব্দচয়ন ও শর্ত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনও কূটনৈতিক দরকষাকষি চলছে। 
বর্তমান সমঝোতা চুক্তির মূল শর্তাবলি
খসড়া চুক্তি অনুযায়ী প্রধান সমঝোতার বিষয়গুলো হলো:
বিষয় সমঝোতার শর্তাবলি
যুদ্ধবিরতিপ্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের একটি বর্ধিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এর আওতায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টের সামরিক অভিযান বন্ধ হবে।
হরমুজ প্রণালিইরান এই জলপথ থেকে সব মাইন সরিয়ে নেবে এবং কোনো শুল্ক ছাড়াই আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য এটি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে
অর্থনৈতিক সুবিধাযুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে এবং ইরানকে অবাধে তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়া বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের হিমায়িত অর্থ অবমুক্ত করা হবে।
পারমাণবিক কর্মসূচিইরান নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ধ্বংস করবে। তবে ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে এখনও কিছুটা দ্বিমত রয়েছে।
পরবর্তী আলোচনাচূড়ান্ত চুক্তির পর পারমাণবিক কর্মসূচির স্থায়ী সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য ৩০ দিনের একটি বিশেষ আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজসহ কট্টরপন্থীরা এই চুক্তিকে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং এর তীব্র সমালোচনা করছেন। অন্যদিকে, বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে এবং একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তিটি দ্রুত সই করতে আগ্রহী।
সংঘাতের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানতে আপনার কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন থাকলে জানাতে পারেন। যেমন:
  • এই চুক্তিতে ইসরায়েলের অবস্থান কী?
  • বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর এর কেমন প্রভাব পড়ছে?
  • ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক নেতৃত্বে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে?

৩. আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ ও ইরানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নতুন ইঙ্গিত

পোস্টের শেষভাগে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব মিত্র দেশ এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দিয়েছে, তাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পাশাপাশি তিনি একটি নতুন আঞ্চলিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ এখনো ঐতিহাসিক আব্রাহাম চুক্তিতে (Abraham Accords) যোগ দেয়নি, বর্তমান স্থিতিশীলতার স্বার্থে তাদের অবিলম্বে এতে অংশ নেওয়া উচিত। এমনকি দূরবর্তী ভবিষ্যতে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানও এই আব্রাহাম চুক্তির অংশীদার হয়ে উঠতে পারে বলে এক চমকপ্রদ কূটনৈতিক আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রেক্ষাপট: কীভাবে শুরু হলো এই সংকট?

উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি মূলত মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে এক আকস্মিক যৌথ সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান সরাসরি ইসরাইল ভূখণ্ড এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি রুটের প্রাণকেন্দ্র হরমুজ প্রণালি ($Strait\ of\ Hormuz$) সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে।

পরবর্তীতে দক্ষিণ এশীয় পরমাণু শক্তিধর দেশ পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ই এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যা বর্তমানে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির রূপ নিতে যাচ্ছে।

প্রতিবেদক: Senior SEO Consultant BDS Bulbul Ahmed

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি, ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট, মার্কিন নৌ অবরোধ, আব্রাহাম চুক্তি, হরমুজ প্রণালি সংকট, এএফপি নিউজ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সমসাময়িক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এমন নিখুঁত, বস্তুনিষ্ঠ ও সম্পূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট নিয়মিত পড়তে চোখ রাখুন বাংলাদেশ প্রতিদিন ওয়েবসাইটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency