| বঙ্গাব্দ

কঙ্গোতে ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাব ২০২৬ | মৃত ৬৫, আক্রান্ত ২৪৬

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 15-05-2026 ইং
  • 4625 বার পঠিত
কঙ্গোতে ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাব ২০২৬ | মৃত ৬৫, আক্রান্ত ২৪৬
ছবির ক্যাপশন: ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাব

কঙ্গোতে আবারও ইবোলার হানা: ইতুরি প্রদেশে মৃত ৬৫, আক্রান্তের সংখ্যা আড়াইশ ছুঁইছুঁই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ মে ২০২৬

কিনশাসা: গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের নতুন প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আফ্রিকার শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা ‘আফ্রিকা সিডিসি’ শুক্রবার (১৫ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ২৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১. সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল ও বর্তমান পরিস্থিতি

সংক্রমণের প্রধান কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে স্বর্ণখনি সমৃদ্ধ শহর মোংওয়ালু এবং রুয়াম্পারা। আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে:

  • রাজধানী কিনশাসার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিকেল রিসার্চে (আইএনআরবি) পাঠানো ২০টি নমুনার মধ্যে ১৩টিতেই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতেও বেশ কিছু সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

২. আঞ্চলিক উদ্বেগ ও সীমান্ত নজরদারি

ইতুরি প্রদেশের খনি শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচলের কারণে ভাইরাসটি সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে:

  • প্রতিবেশী উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে আফ্রিকা সিডিসি।

  • সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. জাঁ কাসেয়া সীমান্ত নজরদারি এবং আঞ্চলিক সমন্বয় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

৩. ইবোলার ইতিহাস ও ভয়াবহতা

১৯৭৬ সালে কঙ্গোতেই প্রথম ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল। এটি মূলত শারীরিক তরল বা শরীরের ক্ষতস্থানের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়। আক্রান্ত হলে প্রবল রক্তক্ষরণ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায়।

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই রোগে গড় মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং এর কোনো সুনিশ্চিত নিরাময় নেই।

  • এটি দেশটিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। এর আগে ২০১৮-২০২০ সালের প্রাদুর্ভাবে কঙ্গোতে প্রায় ২,৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

৪. চিকিৎসা কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ

ইতুরি প্রদেশটি বর্তমানে সামরিক শাসনের অধীনে এবং সেখানে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা থাকায় উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা কর্তৃপক্ষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency