আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৭ মে ২০২৬
ওয়াশিংটন/তেহরান: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনীতিতে এবার যোগ হলো এক নতুন ও অদ্ভুত মাত্রা। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাতে ইরান মাইন বহনকারী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ‘ডলফিন বাহিনী’ ব্যবহার করতে পারে—এমনই এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে পেন্টাগন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
এই বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি জানান যে, ইরানের কাছে এ ধরনের কোনো ডলফিন বাহিনী থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে আলোচনার মোড় ঘুরে যায় যখন তাকে মার্কিন নৌবাহিনীর নিজস্ব ডলফিন বাহিনী নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। হেগসেথ রহস্য বজায় রেখে বলেন, তিনি বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার—কোনোটিই করবেন না।
সমুদ্রে স্তন্যপায়ী প্রাণিদের সামরিক কাজে ব্যবহারের ইতিহাস বেশ পুরনো।
মার্কিন সক্ষমতা: মার্কিন নৌবাহিনী ১৯৫৯ সাল থেকে ডলফিন এবং সমুদ্র সিংহদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এরা পানির নিচে মাইন শনাক্ত করতে অত্যন্ত দক্ষ।
পেন্টাগনের দাবি: পেন্টাগন দাবি করে যে, তাদের এই প্রাণিরা কেবল মাইন খুঁজে বের করার কাজ করে, আত্মঘাতী বা ‘কামিকাজে’ হামলার জন্য তাদের ব্যবহার করা হয় না।
বর্তমান পরিস্থিতি: সিএনএনের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি সচল করার প্রচেষ্টায় মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো ডলফিন ব্যবহার করছে না।
ইরানের ডলফিন কর্মসূচি নিয়ে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
২০০০ সালের দিকে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে কিছু ডলফিন কিনেছিল বলে বিবিসি-র পুরনো রিপোর্টে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ডলফিনগুলো বর্তমানে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ এবং তেহরান নতুন করে কোনো ডলফিন কর্মসূচি চালু করেছে এমন কোনো জোরালো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও তারা স্বীকার করে যে, ডলফিনের প্রাকৃতিক ‘সোনার সিস্টেম’-এর সমকক্ষ প্রযুক্তি আজও মানুষ তৈরি করতে পারেনি। ফলে পানির নিচের গোপন মাইন বা অনুপ্রবেশকারী শনাক্তে আজও ডলফিন অপরাজিত।
তথ্যসূত্র ও এনালাইসিস: ১. ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (Wall Street Journal) বিশেষ রিপোর্ট - মে ২০২৬ ২. এনডিটিভি (NDTV) ও সিএনএন (CNN) আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৩. পেন্টাগন প্রেস ব্রিফিং ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ প্যানেল ডাটা
প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
সিনিয়র এসইও কনসালট্যান্ট ও ডিজিটাল পাবলিশার
ওয়েবসাইট:
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |