বিশেষ প্রতিবেদক | ০৫ মে ২০২৬
ঢাকা: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ‘ভয়াল ও বেদনাবিধুর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনার ন্যায়বিচারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মামুনুল হক এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের এই দিনে একটি শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন নির্মম দমন-পীড়নের শিকার হয় এবং অসংখ্য নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয় শাপলা চত্বর। তাঁর মতে, সে রাতের স্মৃতি এখনো জাতির হৃদয়ে দগদগে ক্ষত হয়ে আছে যা ভুলে যাওয়ার নয়।
মামুনুল হক তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ৫ মে তিনি গাবতলী পয়েন্টে নায়েবে আমিরের দায়িত্বে ছিলেন। শাপলা চত্বরে জমায়েতের ঘোষণায় তিনি মিছিল নিয়ে সেখানে পৌঁছান। তিনি অভিযোগ করেন, লাখ লাখ মানুষের মহা মিছিল দেখে ‘ফ্যাসিবাদী শক্তি’ হায়েনার মতো নিরীহ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাঁর ভাষায়, রক্তে ভেসে গিয়েছিল গুলিস্তান, জিরো পয়েন্ট, পল্টনসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রাত ২টার পর ‘ব্ল্যাকআউট’ করে মুহুর্মুহু হামলা চালানো হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দীর্ঘদিন প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে শহীদদের নিয়ে কাজ করা সম্ভব না হলেও বর্তমানে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান মামুনুল হক।
শাপলা স্মৃতি সংসদ: এই সংগঠনের মাধ্যমে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তথ্য সংগ্রহ: শহীদদের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ চলছে এবং তাঁদের স্মৃতি জাতির সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।
সম্মিলিত কর্মসূচি: এবার হেফাজতে ইসলামের পাশাপাশি ছাত্র মজলিস, যুব মজলিস, ছাত্র শিবির, ছাত্র জমিয়ত, ইনকিলাব মঞ্চ এবং ডাকসুসহ বিভিন্ন ছাত্র সংসদ শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই দায়ের ঋণ শোধ হবে না। তিনি বলেন, ‘শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। যতদিন না বিচার হয়, ততদিন এই দাবি থামবে না’।
প্রস্তুতকারক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
সিনিয়র এসইও কনসালট্যান্ট ও ডিজিটাল পাবলিশার
ওয়েবসাইট:
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |