প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
তারিখ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বিভাগ: রাজনীতি / জাতীয়
উৎস: (জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে এক বিস্ফোরক ভাষণ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিগত সময়ে নির্দিষ্ট কিছু সাংবাদিক সুপরিকল্পিতভাবে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের 'জঙ্গি' সাজিয়ে চরিত্র হনন করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এই দাবি তোলেন।
হুইপ দুলু তাঁর বক্তব্যে সরাসরি নাম উল্লেখ করে বলেন, “যারা মতিউর রহমান নিজামীকে জঙ্গি বানিয়েছিল, যারা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে জঙ্গি বানিয়েছিল, সেসব সাংবাদিকদের অবশ্যই জবাবদিহি হওয়া দরকার।” তিনি আরও যোগ করেন:
ব্যক্তিগত আক্রমণ: “যারা আমাকে এবং ব্যারিস্টার আমিনুল হককে জঙ্গি বানিয়েছিল, তাদের বিচার হতে হবে।”
ওয়ান ইলেভেনের ভূমিকা: ওয়ান ইলেভেনের সময় যে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করতে চেয়েছিল এবং ইসলামকে ধ্বংসের চক্রান্তে লিপ্ত ছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে দুলু বলেন, শেখ হাসিনা দেশে যে ভীতির রাজনীতি কায়েম করেছিলেন, তার ফলে রাজীতিবিদদের সন্তানরা আজ রাজনীতিতে আসতে ভয় পায়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ভয় কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমান এবং জামায়াতের আমীর (সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা) ডা. শফিকুর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করে হুইপ দুলু বলেন:
“যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, ফ্যাসিস্টরা যেন আগামী দিনে আর কোনো সুযোগ না পায়। যাদের রক্তের বিনিময়ে এই গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, সেই অর্জনকে নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না।”
| স্তম্ভ | মূল বক্তব্য |
| চরিত্র হনন | সাংবাদিকদের একাংশ সুপরিকল্পিতভাবে নেতাদের 'জঙ্গি' ট্যাগ দিয়ে ইমেজ নষ্ট করেছে। |
| ইসলাম ও দেশ | ওয়ান ইলেভেনের কুশীলব সাংবাদিকদের ইসলামবিরোধী ও দেশবিরোধী অবস্থানের বিচার। |
| ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি | তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ বিরোধী জোটের শক্তিশালী অবস্থান। |
হুইপ দুলুর এই বক্তব্যটি দেশের সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মেরুকরণে বড় প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের প্রতি ইতিবাচক অবস্থান এবং তাঁদের ওপর অর্পিত 'জঙ্গি' তকমাকে 'মিডিয়া ট্রায়াল' হিসেবে উল্লেখ করা বর্তমান রাজনৈতিক পুনর্গঠনের একটি বড় ইঙ্গিত। তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং 'তদন্তমূলক সাংবাদিকতা'র সাথে এই দাবির সাংঘর্ষিক অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক সমাজে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন রাজনৈতিক নেতাদের 'জঙ্গি' তকমা দেওয়ার পেছনে কিছু সাংবাদিকের অতি-উৎসাহ ছিল? কমেন্টে জানান।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |