বিশেষ বিশ্লেষণে: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (সিনিয়র ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট ও পলিটিক্যাল এনালিস্ট)
স্বাধীনতার ঘোষণা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রকৃত নায়কে পরিণত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত ‘স্বাধীনতা উৎসব’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এই মন্তব্য করেন। তিনি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ‘জিয়া-পথ’ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
খোমেনী ইহসান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহীদ জিয়ার ঘোষণার মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে শহীদ জিয়ার বদলে ভারতীয় কর্মকর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করানো ছিল একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। এর ফলে দেশ স্বাধীনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ হারায় এবং তৎকালীন আওয়ামী শাসনের হাতে ক্ষমতা চলে যায়।
অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়ার শাসনকালকে বাংলাদেশের স্বর্ণযুগ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরা হয়:
সংবিধান ও ধর্মবিশ্বাস: সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসকে মূলনীতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা: বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া।
অর্থনৈতিক বিপ্লব: রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রবাসে পাঠানো এবং গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা করে জাতীয় অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তি গড়া।
আধিপত্যবাদ মুক্তি: দেশকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন অ্যালবানিজ: 'অস্ট্রেলিয়াকে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল'।
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক ঘোষণা করেন যে, তাদের দল শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে তাঁর দেশ পরিচালনার সময়কালকে ‘জিয়া-পথ’ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
গবেষণা ও পাঠচক্র: এই আদর্শের ওপর নিয়মিত গবেষণা ও পাঠচক্র পরিচালনা করা হবে।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক পথনির্দেশকে বর্তমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বাস্তবতার আলোকে বিকশিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসানসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান। উৎসবের শেষ পর্বে কুরআন তিলাওয়াত, দুরূদ পাঠ এবং ১৭৫৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। পরিশেষে কেক কেটে ও টি-পার্টির মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
বিশেষ বিশ্লেষণ:
বিসিবিতে সংকটের মাঝেই মাশরাফিকে নিয়ে বড় বার্তা: ফারুক আহমেদের গ্রিন সিগন্যাল!
বক্তারা মনে করেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন প্রকৃত দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ মুসলিম শাসক। তাঁর সময়ে দেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগমুক্ত ও নিরাপদ ছিল। নতুন প্রজন্মের উচিত তাঁর জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া।
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ: স্বাধীনতা উৎসবের প্রেস রিলিজ (মার্চ ২৬, ২০২৬)।
খোমেনী ইহসান: প্রধান অতিথির ভাষণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ।
ঐতিহাসিক দলিল: ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও জিয়াউর রহমানের শাসনকাল।
গুগল পলিটিক্যাল এনালাইসিস: বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিবর্তন ২০২৬।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |