বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার সহধর্মিনী অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক মারা গেছেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার সহধর্মিনী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক মৃত্যু বরণ করেছেন। রোববার (২ মার্চ) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
ড. শাহিদা রফিক ছিলেন একজন গুণী শিক্ষিকা এবং সমাজকর্মী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন এবং সমাজের নানা স্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞান এবং সহানুভূতির বীজ বুনেছেন। তার মৃত্যু পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী, এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
তিনি তাঁর স্বামী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তারা বলেন, “ড. শাহিদা রফিক ছিলেন একজন নির্ভীক ও জনকল্যাণকামী মানুষ। তার চলে যাওয়ার ফলে সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে একটি বিরাট শূন্যতা তৈরি হলো।”
ড. শাহিদা রফিকের কর্মজীবন ছিল এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। তিনি শুধু একটি শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, একজন শিক্ষক, গবেষক, এবং সমাজসেবী হিসেবে তার কাজের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি নিজেকে একজন মানবদরদী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এবং তার কাজের মাধ্যমে শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলেছিলেন।
ড. রফিকের মৃত্যু শুধু তাঁর পরিবার এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি কষ্টের খবর নয়, বরং এটি পুরো জাতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তার অবদান দেশের উন্নয়ন এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ছিল। তার শূন্যতা কখনো পূর্ণ হবে না, তবে তার রেখে যাওয়া শিক্ষা এবং দৃষ্টিভঙ্গি আগামী প্রজন্মের কাছে একটি শক্তিশালী প্রেরণা হয়ে থাকবে।
এদিকে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা শোক প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “ড. শাহিদা রফিক ছিলেন একজন প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞানী এবং পরিশ্রমী মহিলা। তার অবদান অমূল্য, এবং তার প্রস্থান আমাদের জন্য এক কঠিন এবং বেদনাদায়ক ক্ষতি।”
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |